Spread the love


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রীরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টরু বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার জের ধরে হাত ভেঙ্গে দিলেন ইউপি মেম্বারের।
সূত্রে জানা যায়, ২৭ জুন বিকাল ৩.৩০ মি.সময়ে ৩নং ওয়ার্ড আইজউদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্মার্ট কার্ড বিতরণকালে ডিক্রীরচর ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল মান্নান মিয়া (৬০) কার্ড বিতরণে সহযোগিতার জন্য আসলে উক্ত ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু তাকে দেখে ক্ষিপ্ত হয় এবং বলে তুই এখানে কেন আসছিস ? মেম্বার বলে আমার ওয়ার্ডে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে আমি তো আসবই। একথা শুনে চেয়ারম্যান মিন্টু রাগাম্বিত হয়ে তার সঙ্গী তার ভাই জাহাঙ্গীর ফকির, আলম ফকির, আলমাস ফকির সর্বপিং- হাবিবুর ফকির, ছাব্বির ফকির, পিং সালাম ফকির, জসিম ফকির পিতা-ফজল ফকির, হায়দার, পিং -কালাম ফকিরসহ আরো অজ্ঞাতনাম ৪/৫জন উক্ত মেম্বার মান্নান মিয়াকে একটি রুমের ভেতর ধরে নিয়ে আটকিয়ে লাঠি দিয়ে এলোপাথারি পিটিয়ে বাম হাত ভেঙ্গে টুকরো করে ফেলে। এঘটনায় ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ জামিল, পিং-আলাউদ্দিন মন্ডল আহত মেম্বার মান্নানের ডাক চিৎকার শুনে এগিয়ে গেলে তাকেও আটকে ফেলে এবং বলে মান্নানকে ছাড়িয়ে নিতে হলে একটি সাদা কাগজে সহি করে নিতে হবে। মেম্বার জামিল জীবন রক্ষার্থের ভয়ে সাদা কাগজে সহি করে মারত্মক আহত মেম্বার মান্নানকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। মান্নান মেম্বার ট্রমা সেন্টারে ভর্তি রয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে জানান, মান্নান মেম্বারের বাম হাতে লাঠির আঘাতে ভেঙ্গে গেছে। উক্ত ঘটনায় একই এলাকার ওছিমউদ্দিন, জয়নাল মন্ডল, মনির শেখসহ আরো অনেকেই উল্লিখিত আসামিদের দ্বারা মেম্বারকে মারার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহতের পরিবারের সদস্যরা জানান এব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য চেয়ারম্যান মিন্টুর সাথে প্রতিবেদক বার বার মোবাইলে যোগাযোগের চেস্টা করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। প্রসংগত, গত ২৯ মে ২০১৯ইং তারিখ ডিক্রীরচর ইউনিয়নের ৯জন মেম্বার ও ১১ জুন ২০১৯ইং তারিখ ১২জন ইউপি সদস্য তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অসদাচারনের অভিযোগ এনে অনাস্থা দেন। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু পরিকল্পিতভাবে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এই হামালা করেছে বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যগণ।


Spread the love