আজ রবিবার, ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৭ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং,দুপুর ১২:৫০

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি লাঠি খেলাটি দিন দিন হারিয়ে যাওয়ার পথে

শোভন এহসান: গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি গোল্লাছুট,বদন,কানামাছি ভোঁ ভোঁ,হাডুডু,ঘোড়াদৌড়ের মতো লাঠি খেলাও খুব জনপ্রিয়। সেই ঐতিহ্যবাহি লাঠিখেলা এখন হাড়িয়ে যেতে বসেছে।কালে ভদ্রে দু-এক জায়গায় এখন লাঠি খেলার দেখা মেলে।সেই লাঠিখেলা নিয়ে প্রতিবেদন লিখেছেন শোভন এহসান।আলাপচারিতাই ছিলেন লাঠিয়াল ইয়ামিন আলি।

মুসলিম বা হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো বিশেষ তিথি পার্বনে মেলা বসবে-সেখানে নাগর দোলা ঘুরবে,আর লাঠি খেলা হবে না।তাতো হয় না,এক সময় গ্রামের বিনোদনের খোরাক জুগিয়েছে এই লাঠিখেলা।এই বিষয়ে কথা হচ্ছিল সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের স্নাতক শেষ বর্ষের ছাত্র লাঠিয়াল ইয়ামিন আলির সাথে।

তিনি জানান,গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি লাঠি খেলাটি এখনো বেশ জনপ্রিয় হলেও হারিয়ে যাওয়ার পথে।মানুষ ভুলতে বসেছে এ খেলা।বাংলার ঐতিহ্য অংশ লাঠিখেলা নিয়ে মানুষের আগ্রহ আছে।কিন্তু নতুন কোন সংগঠন বা দল তৈরি হচ্ছে না লাঠি খেলার।ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি লাঠি খেলা।
ঢোল আর লাঠির তালে তালে নাচানাচি অন্য দিকে প্রতিপক্ষের হাত থেকে আত্মরক্ষার কৌশল অবলম্বনের প্রচেষ্টা সম্বলিত উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যে খেলা হয় তার নাম লাঠি খেলা।

লাঠি খেলার আসরে লাঠির পাশাপাশি যন্ত্র হিসেবে ঢোলক,কর্নেট,ঝুমঝামি ইত্যাদি ব্যবহার হয় এবং সংগীতের পাশাপাশি চুড়ি নৃত্য দেখানো হয়।এই খেলা নিয়ে লাঠিয়াল ইয়ামিন আলি আরো জানান,আমাদের অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের লাঠিখেলা রয়েছে।তার মধ্যে অন্যতম সড়কি খেলা,ফড়ে খেলা,ডাকাত খেলা,বানুটি খেলা,গ্রুপ যুদ্ধ,নরি বারী খেলা এবং খেলা ইত্যাদি।

আলাপচারিতায় তিনি আরো জানান, এই খেলাটি বিলুপ্তি হওয়ার কারনে এর খেলোয়ারের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে।তৈরি হচ্ছে না কোন নতুন খেলোয়ার।প্রয়োজনীয় পৃষ্টপোষকতায় মাধ্যমে লাঠিখেলাকে টিকিয়ে রাখার দাবি তার।

     আরো পড়ুন