Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ব্রা²ণকান্দা এএস একাডেমীর স্কুল পরিচালনা কমিটির প্রধান শিক্ষক একই বিদ্যালয়ের দু’জন সহকারী শিক্ষক ও এক অভিভাবক সদস্যের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের মান ক্ষুণœ করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান শিক্ষক এম এ সালাম তার লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মশিউর রহমান যাদু মিয়ার পরামর্শে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এসএম বাদশা ও ফরিদা বানু এবং অভিভাবক সদস্য আলমগীর কবির বেসরকারী বিদ্যালয় পরিচালনা প্রবিধান মানেননা। এখতিয়ার বহিভর্‚তভাবে সভাপতি সাধারণ শিক্ষকদেরও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন। সভাপতি ও শিক্ষক প্রতিনিধি বাদশা মিয়া প্রধান শিক্ষককে পাশ কাটিয়ে আয়-ব্যয় কর্মকান্ড পরিচালনা করেন। নিয়মানুযায়ী পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকায় সভাপতি যাদু মিয়াসহ এসএম বাদশা ও আলমগীর কবিরের সদস্যপদ বাতিল হয়ে গেছে। গত ২২ জুলাই প্রধান শিক্ষকের নিকট থেকে জোরপূর্বক রেজুলেশন বই ছিনিয়ে নিয়ে পাঁচটি রেজুলেশনে ব্যাকডেটে স্বাক্ষর করেন তারা। এব্যাপারে গত ২১ জুলাই ১১ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা কমিটির ৬ জন সদস্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধেই নানা প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। এতে স্কুলের পাঠদানের পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে এএস একাডেমীর সহকারী প্রধান শিক্ষক এমএ সালাম, শিক্ষক এমএম শাহিদুর রহমান বাবু, স্কুল পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য মোঃ আক্কাস মিয়া আকাশ ও আব্দুস সোবহান মিয়া বাচ্চু উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযোগ করেন, যাদু মিয়া অনৈতিকভাবে বিদ্যালয়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ডিজিটাল হাজিরা ও শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড প্রদান সহ উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের নামে দুর্নীতি করছেন।
এব্যাপারে জানতে চাইলে এমএম বাদশা মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আভ্যন্তরীণ অডিটে প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে। এজন্য তিনি উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন। ব্যাকডেটে স্বাক্ষরের জন্য রেজুলেশন ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ সত্য নয় জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকই আলমগীর কবিরকে রেজুলেশন বইতে সভাপতির স্বাক্ষর করানোর জন্য পাঠিয়ে উল্টো থানায় জিডি করান। এব্যাপারে আলমগীর কবিরও একটি জিডি করেছেন থানায়। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি। এব্যাপারে মশিউর রহমান যাদু মিয়া তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দীর্ঘদিনযাবত এই মহলটি দুর্নীতি করে আসছে। আভ্যন্তরীণ অডিটেও এটি ধরা পড়েছে। তিনি এব্যাপারে দাফতরিক তদন্তের দাবি জানান।


Spread the love