Spread the love

শোভন এহসানঃ ফরিদপুরের সদর উপজেলায় আলো ছড়াচ্ছে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’।সপ্তাহের প্রতিদিনই শহরের গুরুত্বপূর্ন স্থানে যাই ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির’ গাড়িটি।প্রতিদিন পাঠকরা গাড়ি আসার অপেক্ষায় থাকেন।কখন গাড়ি আসবে,আর পুরান বই জমা দিয়ে নতুন বই সংগ্রহ করবেন তারা।
জানা যায়,ফরিদপুরে একটি মাত্র সরকারি গণগ্রন্থগার রয়েছে।সরকারি গণগ্রন্থগারে অনেকের তেমন যাওয়ার সুযোগ হয়ে ওঠে না।এই কারনে বই পাগল মানুষের একমাত্র ভরসা বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিটি’।
প্রতিদিন শহরের নিদিষ্ট পাঁচটি স্থানে এসে দাঁড়ায় বইয়ের গাড়িটি।গাড়িতে রয়েছে প্রায় ৭০০০ টি বই।এর মধ্যে রয়েছে প্রবন্ধ,উপন্যাস,আত্মজীবনী,ইতিহাস,কবিতা,সাইন্স ফিকসন,অনুবাদ,ভাষা,মুক্তিযুদ্ধ,শিশু কিশোর সাহিত্য,ভ্রমন কাহিনীসহ ধর্মীয় বই।
গাড়িটি প্রতিটি স্থানে অবস্থান করে এক ঘন্টা।কোনো পাঠক যদি আগের সপ্তাহের বই পড়ে শেষ করতে না পারেন তবে ওই বইটিই রি-নিউ করে নেন।শুধু শিক্ষার্থীই নয়,এই ভ্রাম্যমান লাইব্রেরির পাঠক তালিকায় আছেন চাকরিজীবী,ব্যবসায়ী,গৃহিনীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ফরিদপুর ইউনিটের ভ্রাম্যমান লাইব্রেরির কর্মকর্তা হিলটন ভৌমিক দৈনিক আজকের সারাদেশকে বলেন,ফরিদপুরে তাদের ৪০০০ সদস্য রয়েছে।এই লাইব্রেরিতে দুই ধরনের সদস্য নেওয়া হয়।সাধারণ ও বিশেষ সদস্য।সাধারণ সদস্য হতে ১০০ আর বিশেষ সদস্য হতে ২০০ টাকা জামানত দিতে হয়।
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির ইউনিট কর্মকর্তা হিলটন ভৌমিক আরো বলেন, ‘একটি জাতির উন্নয়নে বইয়ের বিকল্প নেই।মানুষ যাতে ঘরে নিয়ে বই পড়তে পারে বা ঘরে বসে বই পেয়ে যান এই চিন্তা থেকেই ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’ করা হয়।


Spread the love