Spread the love


বোয়ালমারী প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বনচাকী গ্রামে আ’লীগের দুই পক্ষের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পাল্টাপল্টি হামলায় কমপক্ষে ৩০ টি বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। হামলা থেকে রক্ষা পায়নি শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মো. সিদ্দিকুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত বসত বাড়িটি। শুক্রবার (১৫.১১.১৯) বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দফায় দফায় হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৬জনকে আটক করা হয়। রবিবার (১৭.১১.১৯) সরেজমিনে গেলে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমানের একমাত্র সন্তান রওশন আরা ইয়াসমিন (৫০) জানান, দীর্ঘদিন ধরে চতুল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও উপজেলা আ’লীগের সদস্য মো. জালাল সিকদার এবং সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান শেখের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গত শুক্রবার বিকেল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে ইউপি সদস্য জালাল সিকদারের সমর্থক লুলু সিকদার, নান্নু সিকদার, নাঈম মিয়ার নেতৃত্বে শতাধিক সন্ত্রাসি আমার বাবার (শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান) শেষ স্মৃতি বিজড়িত বসত ঘরটিও রামদা দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দেয়। স্বামীর বাড়ি থেকে মাঝে মধ্যে এসে বাবার স্মৃতি বিজড়িত যে ঘরটিতে রাত্রি যাপন করতাম সে ঘরটিও দুমড়ে মুচড়ে দিলো জালাল বাহিনী। আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাছে, বিনা দোষে আমার পিতা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত বাড়ি ভাংচুরের বিচার চাই। এ ঘটনায় মো. জালাল সিকদার ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। বোয়ালমারী থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। রাত থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে । বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। গত আটকৃতদের শনিবার ফরিদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


Spread the love