Spread the love

       

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফরিদপুর সদর উপজেলার শিবরামপুর এলাকায় তামান্না (১৪) নামের এক কিশোরীর রহস্য জনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শিবরামপুর আজিজ ফাইবার্স লিঃ এর শ্রমিক নায়েব আলীর ১৪ বছরের কিশোরী তামান্না আক্তারের ঝুলন্ত লাশ উক্ত ফাইবার্স কোয়ার্টার রুম থেকে গতকাল ২৫ ডিসেম্বর সকাল ৮ টার সময় ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে ফরিদপুর কোতয়ালী থানা পুলিশ। উক্ত মিলের শ্রমিক ও স্থানীয়রা জানান, কিশোরী তামান্নার মা-বাবা, ও ভাই আজিজ ফাইবার্স লিঃ এ ৩ মাস যাবৎ কাজ করছে। কোয়ার্টারের শ্রমিকরা জানান, কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার ভবানিপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তবে তামান্নার মা-বাবা ও ভাই আজিজ ফাইবার্স এ কাজ করার সুবাদে শ্রমিক কোয়ার্টারে টিন সেট রুমে তামান্নাসহ থাকতেন। তামান্না ফাইবার্সে কোন কাজ করত না, সবসময় বাসায় রান্না-বান্নার কাজ করত। এরই ধারাবাহিকতায়, আজিজ ফাইবার্সের ওয়ার্কসপ শ্রমিক নাছিম নামের এক ব্যাক্তির সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে বলে কোয়ার্টারের অন্যান্য শ্রমিকরা জানায়, তবে সম্পর্কের বিষয়টি তামান্নার মাও নিশ্চিত করেন। এই মৃত্যুর ঘটনাকে ভিন্ন দিকে ধাবিত করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে আজিজ ফাইবার্স লিঃ এর ডিজিএম আলী হোসেন সেলিম। রহস্য জনক মৃত্যুর কারন আজিজ ফাইবার্স লিঃ এর ডিজিএম আলী হোসেন সেলিম এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কোন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে ফ্যাক্টরি থেকে দ্রæত বের হয়ে যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা জানান, মেয়েটির মৃত্যু রহস্যজনক ভাবেই হয়েছে, ডিজিএম এই মৃত্যুর ঘটনা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে, কারন ২৪শে ডিসেম্বর দিবাগত রাতে আনুমানিক ৯ টায় গলায় ফাঁস অবস্থায় ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় তার মা সোনা বানু,পরে তার চিৎকারে আশেপাশের কোয়ার্টারের লোকজন ছুটে এলে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তামান্নাকে দেখতে পায়। বিষয়টি নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। মৃত তামান্নার মাকে আজিজ ফাইবার্সের ডিজিএম কর্তৃক বিভিন্ন ভয়-ভীতি দিয়েছে বলে ধারনা করা হয়। উল্লেখিত অভিযোগের বিষয়ে ফ্যাক্টরির ডিজিএম আলী হোসেন সেলিম এর সাথে কথা হলে তিনি অস্বীকার করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোতয়ালী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা আকরাম হোসেন জানান, লাশটি পোস্টমর্টেম করে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মৃত দেহটি পরিবারের কাছে হস্থান্তর করা হয়েছে।


Spread the love