আজ শনিবার, ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ই জুন, ২০২০ ইং,সকাল ১১:১১

ভাঙ্গায় নতুন করে ৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে একজন ভাঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ী (৩৬)। উপজেলার পৌর সদরের ছিলাধরচর গ্রামে তার বাড়ি। অন্যরা উপজেলার জান্দি গ্রামের মধ্যবয়সী এক ব্যাক্তি (৪৮)। উপজেলার মালীগ্রাম এলাকার জনৈক এক যুবক (৩৬), এবং উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ এলাকার এক ব্যাক্তি।

ব্যবসায়ী ছাড়া ৩ জন সম্প্রতি ঢাকা থেকে বাড়ি আসেন। এর আগে ২ দিন আগে ৫ মাস বয়সী এক শিশু ও অপর ২জন স্মীতৌকিররমি-স্ত্রী আক্রান্ত হয়। এই নিয়ে উপজেলায় ১০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। সর্ব প্রথম সেবিকাসহ ৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

এদের মধ্যে ১ জন ভাঙ্গা উপজেলার সেবিকা। অপর ২জন পৌর সদরের হোগলাডাঙ্গি সদরদী গ্রামের সেবিকা শরিফা আক্তার এ্যানী (৪০), উপজেলার আলগী ইউনিয়নের নলিয়া গ্রামের জোসনা বেগম (৪০) এবং একই ইউনিয়নের বালিয়াচরা গ্রামের রুবেল মিয়া (২২)। ভাঙ্গা উপজেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার করোনার উপসর্গ নিয়ে ৩ জন চিকিৎসা নিতে আসে।

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ জনের নমুনা পাঠানো হলে শুক্রবার উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের নমুনায় করোনা পজিটিভ সনাক্ত হয়। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রকিবুর রহমান খান জানান, প্রশাসনের প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা শনাক্ত হওয়া রোগীদের আশপাশের বাড়ি লগডাউন করার প্রস্তুতি চলছে।

পাশাপাশি একটি মেডিকেল টীম আক্রান্তদের বাড়িতে গিয়ে তাদের সংস্পর্শে আসা বেশ কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ মহসিন ফকির বলেন, মঙ্গলবার আক্রান্তরা করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসলে পাঠানো নমুনায় তাদের করোনা সনাক্ত হয়।

একইসাথে তাদের পরিবারের সকলকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে আক্রান্ত ৩ জনকে আইসোলেশনে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা আক্রান্তদের বাড়িতে গিয়ে আশপাশের বাড়ি লগডাউন করার পাশাপাশি সকলকে সতর্ক করা হবে। ভাইরাসটি যাতে না ছড়ায় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এদিকে ভাঙ্গা উপজেলায় করোনা রোগী বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। শদক্ষিন বঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত এ উপজেলায় ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়লে আরও ব্যাপক বিস্তার ঘটাতে পারে বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারনা।

     আরো পড়ুন