Spread the love

বিশেষ প্রতিনিধি: ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসের নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। করোনার এই মহামারিকে পুঁজি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। দেশে ব্যাংক গুলো যখন বিদ্যুৎ বিল নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে তখন স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে বিল নেওয়া হচ্ছে।

অফিসে গিয়ে দেখা যায় আবাসিক প্রকৌশলী অশোক কুমার দাস নিজেই বিল নিতে ব্যস্ত, অন্য কোন অভিযোগ শোনা বা কারো সাথে কথা বলার সময় নাই তার।

অফিসের বেশির ভাগ কর্মকর্তা বিল নেওয়া কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় বিল তৈরিতে ভুল ভ্রান্তি বেশি হচ্ছে।

গ্রাহকরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়ে অফিসে এসে সমাধান পাচ্ছে না, অনেকে অফিসের ভিতরেই প্রবেশ করতে পারছে না, বিল দিতে আসা গ্রাহকদের ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

সামাজিক দূরুত্ব পালনের কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিল গ্রহন করার, পর,ভাংটি পাঁচ, দশ টাকা গ্রাহকদের ফেরত দেওয়া হচ্ছে না, দিন শেষে এ টাকা একত্রিত করলে মোটা অংক জমা হচ্ছে, যার পুরাটাই চলে যায় আবাসিক প্রকৌশলীর পকেটে।

অশোক কুমার দাস দায়িত্ব নেবার পর থেকে বিদ্যুৎ লোড শেডিং বেড়ে গেছে। যার ফলে গ্রাহকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, অনেকেই মনে করে আবাসিক প্রকৌশলীর দায়িত্ব অবহেলা করার ফলেই এমনটা হচ্ছে, নাম প্রকাশ না করা সত্বে কয়েজন ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, অশোক কুমার দাসের কাছে সমস্যা সমাধানে জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু সে ভালো আচরন করেন নি।

আগামী দিন থেকে সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি সঠিক,সুন্দর ভাবে নিয়ম মেনে সেবা প্রদান করবে এমনটাই আশা করে মধুখালী বাসি।


Spread the love