Spread the love


বোয়ালমারী প্রতিনিধি : ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে মোট ১৬ জন সুস্থ হয়েছেন। গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় বাড়িতে আইসোলেশনে থাকা নতুন ১৪জনকে সুস্থ ঘোষণা করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়পত্র দিয়েছে। এর আগে উপজেলায় দুইজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুর রহমান, স্বাস্থ কর্মকর্তা ডা. খালেদুর রহমান ও চতুল ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ সেলিমুজ্জামান লিটু উপস্থিত থেকে তাদের ছাড়পত্র দেন। করোনা যুদ্ধে সুস্থ হওয়া রোগীরা হলেন, উলু কান্ত (৬২), আরতি রায় (৬০), তাপস কুমার রায় (৫৫), অসিত রায় (৫০), শিখা রায় (৪৫), সুকুমার রায় (৪৪), সাগরিকা রায় (৪০), হাসি রানী (৩৬), ইতি রায় (২৬), তন্ময় রায় (২৫), বিজন রায় (২০) তমা রায় (১০)। এর ১২জন চতুল ইউনিয়নের ধুলপুকুরিয়া এলাকার বাসিন্দা এবং অন্য দুইজন ঘোষপুর ইউনিয়নের পাইকহাটি গ্রামের আশা রানী দাস (৫৫) এবং রূপাপাত ইউনিয়নের বনমালিপুর গ্রামের কামরুল শেখ (৪৫)। তারা করোনা আক্রান্ত হয়ে সবাই নিজবাড়িতে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
করোনাযুদ্ধা কামরুল শেখ জানান, আমি প্রথমে সৃষ্টিকর্তার নিকট শোকরিয়া আদায় করছি এবং হাসপাতালের ডাক্তারদের ধন্যবাদ জানাই। তাঁরা আমাদের বাড়িতে এসে চিকিৎসা সেবা ও দেখভাল করায় আমরা দ্রæত সুস্থ হয়েছি। তিনি জানান, সরকারি নির্দেশনা মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সকলেই ঘরে থাকার চেষ্টা করুন।
উপজেলা স্বাস্থ ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খালেদুর রহমান জানান, ধুলপুকুরিয়া গ্রামের এক ব্যক্তি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার সৎকার করা হয় ধুলপুকুরিয়া গ্রামে। একদিন পর তার স্ত্রী শিখা রায়ের করোনা উপসর্গ দেখা দেওয়ায় নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ আসে। সৎকারে সংস্পর্শে আসা গত মাসে দুইবার ওই ব্যক্তির বাড়ির আশেপাশের আরো ৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। আক্রান্তদের বাড়িতে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ৩১ মে সকলের নমুনা পরীক্ষার পর রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় ১৪জনকে ছাড়পত্র দিয়ে সুস্থ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এই উপজেলায় আক্রান্ত ৪৭জন রোগির মধ্যে ১৬ জন সুস্থ হয়েছেন। মারা গেছেন দুইজন। সুস্থ হওয়া রোগীরা আমাদের নজরে থাকবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ জানান, করোনায় আক্রান্ত রোগীরা সুস্থ হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। সুস্থ হওয়া রোগীদের বাড়ি থেকে লকডাউন উঠিয়ে নেয়া হয়েছে।


Spread the love