Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফরিদপুরে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ সোমবার বিকেলে ফরিদপুরের ১ নং আমলী আদালতে শুনানী শেষে তাদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক অরুপ বসাক।

রিমান্ড মঞ্জুরকৃত অন্য দুই আসামী হচ্ছেন বার্তা টুয়েন্টিফোরের ফরিদপুর প্রতিনিধি রেজাউল করিম বিপুল ও ফরিদপুর পৌরসভার সাবেক ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাহফুজুর রহমান মামুন।

ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল সাহার বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় গতকাল রোববার (৭জুন) রাতে তাদেরকে আটক করা হয়।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের হওয়া ছাড়াও অস্ত্র ও মাদক আইনে আরো তিনটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা জানান, আজ সোমবার (৮জুন) তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অস্ত্র আইনে দায়েরকৃত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে ফরিদপুরের ১নং আমলী আদালতে রিমান্ড শুনানী হয়। আদালত পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত সরাসরি পুলিশী হেফাজতে প্রেরণ করেছে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গতকাল রোববার দিবাগত রাতে শহরের বিভিন্নস্থান হতে সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ নয়জনকে গ্রেফতার করে।

এসময় তাদের নিকট হতে পাঁচটি পিস্তল ও ৯১ রাউন্ড গুলি, দুইটি শর্টগান ও ১৮০টি কার্তুজ, ব্রান্ডের ছয় বোতল বিদেশী মদ, ৬৫ পিস ইয়াবা, খাদ্য অধিদপ্তরের ১২শ’ বস্তায় ৬০ হাজার কেজি চাল, ৩ হাজার ইউএস ডলার, ৯৮ হাজার ভারতীয় রুপি ও বাংলাদেশী ২৯ লাখ টাকা ও পাঁচটি পাসপোর্ট উদ্ধারের পর সেগুলো জব্দ করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত অন্য পাঁচজন হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেত্রী ইয়াসমিন সুলতানা বন্যা মন্ডল, ছাত্রলীগ নেতা এনামুল ইসলাম জনি, অমিয় সরকার, বর্ধিত ১৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চক্রবর্তী ও জাহিদ খান। তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


Spread the love