Spread the love

রবিউল হাসান রাজিবঃ ফরিদপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে বিপদ সীমার ১১২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নতুন কোন গ্রাম প্লাবিত না হলেও দুর্ভোগ বেড়েছে আটকে পড়া কয়েক হাজার গ্রামবাসীর। ফরিদপুর সদর উপজেলা সহ সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলার কয়েকলক্ষ মানুষ পনিবন্দি। অনেকে সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে, আবার অনেকে উঁচু রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছে। মনুষ্য খাদ্যসহ রয়েছে গো খাদ্য সংকটও।

ফরিদপুর পনি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ জানান, আজ পানি বেশ কিছুটা বেড়ে বিপদসীমার ১১২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে আলিয়াবাদ ইউনিয়নের সাদিপুর এলাকার শহর রক্ষা যে বাঁধটি ভেঙে গিয়েছিল তা মেরামত করা হয়েছে। বাঁধে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে যাতে পুনরায় এ ধরনের পরিস্থিতিতে না পড়তে হয়। তবে আমরা সব ধরনের সমস্যা মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছি।

এদিকে সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আজও আলিয়াবাদ ইউনিয়নের বন্যা কবলিতদের মাঝে তৈরী খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। আজ ১০০০ মানুষের মাঝে ভাত ও সবজি বিতরণ করা হয়েছে। তাছাড়া ৭০ জন গরু পালনকারী পরিবারের মাঝে ৫ কেজি করে মোট ৩৫০ কেজি গরুর খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুম রেজা জানান, বন্যা পরিস্থিতিতে এ মানুষগুলো বেশ সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। তাদের যেন কোন সমস্যা না হয় সে জন্য আমরা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছি।

জেলা প্রশাসক অতুল সরকার স্যারের নির্দেশনায় ও তরুছায়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় বানভাসি এসব মানুষকে নিয়মিতভাবে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। তাছাড়া আজ থেকে প্রত্যেকজন গরু পালনকারী নিয়মিতভাবে গো-খাদ্য পাবে আজ ৭০ জন গরু পালনকারীকে ৫ কেজি করে পুষ্টিকর গোখাদ্য দেওয়া হয়েছে। যা অল্প পরিমানে খাওয়ালে গরুর পুষ্টি চাহিদা পুরন হবে। আমাদের কার্যক্রম বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চলবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নাহার, আলিয়াবাদ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ওমর আলী ডাবলু ও তরুছায়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা।


Spread the love