Spread the love

ভাঙ্গা প্রতিনিধি : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের সিংগাড়িয়া বিলের মধ্য থেকে সোমবার দিনগত রাত ১২টার সময় মহিতন বেগম(৪০)নামের এক মহিলার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। জড়িত সন্দেহে দুই জন আসামীকে রাতেই আটক করেছে। নিহত মহিতন ভাঙ্গা পৌর সদরের চৌধুরীকান্দা সদরদী গ্রামের মৃত্যু আদেলদ্দিন মাতুব্বরের মেয়ে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, নিহত মহিতন তার পেশা ছিল ঘটকালি। স্বামীর বাড়ী নগরকান্দায় স্বামীর মৃত্যুর পর বাবার বাড়ী বসবাস করেন। ঘটনার রাতে জেলেরা মাছ ধরতে গিয়ে বস্তাবন্দি লাশের দুটি পা ভাসতে দেখে ঐ সিংগাড়িয়া এলাকার লোকজন কে জানায় তারা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ রাতেই লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। মহিতন ঈদের দিন থেকে নিখোঁজ থাকায় তার পরিবার মহিলার লাশের খবর পেয়ে থানায় দেখতে আসে। তখন তারা মহিতনের লাশ বলে শনাক্ত করেন।
পরিবারের লোকজন জানান মহিতন সিংগাড়িয়া গ্রামের মনিরের বাড়ীতে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেনি। পুলিশ সেই কুলু নিয়ে আগায়। পুলিশ জড়িত সন্দেহে রাতেই রেহানা বেগম(৩৮) ও তার ছেলে হাসান মোল্লা(২০)কে আটক করে।

এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুর রহমান বলেন, অর্থ লেনদেন নিয়ে একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড ঘাটয়েছে। সম্ভবতঃ প্রধান আসামি মনিরের সাথে নিহত মহিতনের আর্থিক লেনদেন ছিল সেই ঘটনায় মনির ও তার লোকজন মহিতনকে ডেকে নিয়ে হত্যাকান্ড ঘটায়। ঘাতকরা লাশ গুম করতে বস্তাবন্দি করে বিলের মধ্যে নিয়ে যায়। তারপর এরা পানির নিচে প্রথমে একটি লোহার রড পুঁতে তার সাথে লাশ বেধেঁ রাখে এবং লাশের সাথে পাথর ও ইট বেঁধে লাশটি যেন ভাসতে না পারে সে ব্যবস্থা গ্রহন করে। যখন লাশটি ফুলে যায় তখন পা ভেসে ওঠায় জেলেরা দেখলে জানাজানি হয়। সম্ভবতঃ দুইদিন আগেই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। লাশ ফুলে গেছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। আরো আসামি ধরার চেষ্টা চলছে।


Spread the love