Spread the love

রবিউল হাসান রাজিবঃ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২০ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ঈশান গোপালপুরের দুর্গাপুর খেয়াঘাটে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ সমিতির সামনে ঈশান গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি খলিলুর রহমান ব্যাপারীর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য বিপুল ঘোষ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য এ্যাডভোকেট শামসুল হক ভোলা মাষ্টার, কোতয়ালী আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ বোস, সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান বাবুল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাইফুল আহাদ সেলিম, খন্দকার মুরাদ, জেলা কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ প্রদীপ কুমার দাস লক্ষণ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি তাওফিক হোসেন পুচ্চি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি কাজী মমিতুল হাসান বিভুল, কোতয়ালী আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক সামছুল আলম চৌধুরী, সদরপুর, চরভদ্রাসন আসনের সাবেক সাংসদ মরহুম এ্যাডঃ মোশাররফ হোসেনের পুত্র বায়েজিদ কামাল দিপু, ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আঃ সোবহানসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন, আগষ্ট মাস শোকের মাস, আজ আমরা এখানে ১৫ ই আগষ্টে শহীদ বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে একত্রিত হয়েছি। কিন্তু নেতা কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি আজকের এ শোকসভাকে একটি প্রতিবাদ সভায় পরিণত করেছে। কারণ এই ঈশান গোপালপুরের জনগণ নির্যাতিত নিপিরিত। এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজনু, খন্দকার মোশাররফের ক্যাডার বাহিনীর অন্যতম সদস্য। মজনু চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে এই ইউনিয়নবাসি শান্তিতে একটি দিনও পার করতে পারে নাই। হত্যা, খুন, গুম, চাঁদাবাজি, সরকারি গাছ কেটে বিক্রি কোন কিছুই সে বাদ দেয় নাই। সালিসের নামে এলাকার নিরিহ জনগনের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে চেয়ারম্যান নামে ঐ ডাকাত মজনু। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাই তাকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা হোক।

বক্তারা এ সময় আরও বলেন, খন্দকার মোশাররফ ও তার ভাই বাবর ফরিদপুর জুরে ত্রাসের রাজত্ব চালিয়েছে, লুটের রাজত্ব চালিয়েছে। তাদের কথার অবাধ্য হলে তাকে হাসপাতালে নয়তো জেলে যেতে হয়েছে। তাদের দোসর ফুয়াদ, লেভী, বরকত, রুবেলের গঠিত হেলমেট বাহিনী, হাতুড়ি বাহিনী দিয়ে যা খুশি তাই করিয়েছে। ফরিদপুর আজ মোশাররফ বাবরের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়েছে। এ জন্য আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই। ফরিদপুরে মোশাররফ বাবরের আর ঠাঁই হবে না। সভায় খন্দকার মোশাররফ ও তার ভাই বাবরকে ফরিদপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।


Spread the love