Spread the love

রবিউল হাসান রাজিবঃ ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাই-ফ্লো হিটেড রেসপিরেটরি হিউমিডিফায়ার হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ ২৫শে আগস্ট মঙ্গলবার ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে বেলা ১১.৩০টায় ইউনিটেক্স এলপি গ্যাস লিঃ এর সৌজন্যে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিটেক্স গ্রুপের ডিরেক্টর (অপারেশন) মোঃ জোবাইদুল ইসলাম চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিটেক্স এল পি গ্যাস লি. ও ইউনিটেক্স সিলিন্ডার লিঃ এর প্রজেক্ট ডিরেক্টর আঃ রহমান, ইউনিটেক্স এল পি গ্যাস লি. এর চিফ মার্কেটিং অফিসার মোঃ মাসুদুজ্জামান।

এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, ফমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ আফজাল হোসেন, সহকারী পরিচালক ডাঃ কামাল আহমেদ, বিএমএ ফরিদপুর এর সাধারন সম্পাদক ডাঃ মাহফুজুর রহমান (বুলু), ফমেক হাসপাতালের আইসিইউর এর দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক ডাঃ অনন্ত কুমার রায়, ডাঃ আবু বকর সিদ্দিকসহ হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত রোগীদের যে সমস্যাগুলো হয় তার মধ্যে সব থেকে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে শ্বাসকষ্ট। শ্বাসকষ্ট নির্মুল বা দূরীকরণে যে ইন্সট্রুমেন্ট দরকার তা প্রত্যেক হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। আর বাংলাদেশ সরকারের একার পক্ষে এত ইন্সট্রুমেন্ট সরবরাহ করাও সম্ভব নয়। তাই আমরা ইউনিটেক্স গ্রুপ নিজেদের দ্বায়িত্ববোধ থেকে ফমেক হাসপাতালে হাই-ফ্লো হিটেড রেসপিরেটরি হিউমিডিফায়ার মেশিন হস্তান্তর করা হয়। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবায় এ মেশিন সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছি।

ফমেক হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ সাইফুর রহমান বলেন, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় তেমন কোন ঔষুধ নেই। যে সমস্যাটি সবচেয়ে বেশি হয় তা হল শ্বাসকষ্ট। এই শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখার জন্য দরকার অক্সিজেন। যা আমাদের ফমেক হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে ছিল না। ইউনিটেক্স গ্রুপ সাধারণ মানুষের চিকিৎসায় এগিয়ে এসেছেন। এজন্য ফমেক হাসপাতালের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।


Spread the love