Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জেলার সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ও মাচ্চর ইউনিয়নের অন্তর্গত পিঠাকুমড়া বাজার জামে মসজিদের মুসুল্লি ও বাজারস্থ দোকানদারদের ব্যবহৃত সরকারী বরাদ্ধে এলজিইডি কর্তৃক তৈরি পাকা ল্যাট্রিন ভেঙ্গে ভুমি দখল করে টিনের বেড়া প্রদান করেছে ব্যবসায়ী মোঃ হায়দার আলী গংরা। ভুমির পুরাতন মালিক মাধব কুমার সাহা বলেন আমি স্থানীয় বাজারে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মোঃ হায়দার আলী গংদের কাছে আমার মালিকানা সম্পত্তি বিক্রি করেছি প্রায় পাচ বছর আগে। তবে এখানে পাকা ল্যাট্রিন ভাঙ্গাতে আমার কোন হাত নেই। কারণ এটা মুসলিম ধর্মীয় মসজিদের মুসল্লিসহ স্থানীয় দোকান ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করতো।

পিঠাকুমড়া বাজার জামে মসজিদের কমিটির সভাপতি ও বাজার কমিটির সাধারনণ সম্পাদক মোঃ এনায়েত হোসেন বলেন মসজিদের মুসুল্লিদের জন্য জেলা পরিষদ থেকে সরকারী বরাদ্দ নিয়ে নতুন আরেকটি ল্যাট্রিন তৈরি করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ওটা বাজারের লোকজন ব্যবহার করত ও নোংরা হয়ে গিয়েছিল। আর বাজারের লোকজন ব্যবহার করত বিধায় সব সময় পরিষ্কার রাখা সম্ভব হয় না। এটা মসজিদের মুসুল্লিদের এখন দরকার হয়না, নতুন তৈরি করা হয়েছে আরেকটি। বিধায় হায়দার আলীকে বলেছি এটা আমাদের এখন ব্যবহার না করলেও হবে। তবে ল্যাট্রিন ভাঙ্গার ব্যাপারে তাদেরকে আমরা কোন অনুমতি দেই নাই কারণ এটা এলজিইডির অর্থায়নে তৈরি করা।

এ ব্যাপারে সাধারণ জনগণের সাথে কথা বললে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন এটা মসজিদের মুসুল্লি ও বাজারের লোকজন ব্যবহার করত। তবে সরকারী অর্থায়নে তৈরি ল্যাট্রিন ভাঙ্গার কথা জিঙ্গেস করলে তারা বলেন এটা আমরা কিছু জানিনা। তবে এটি ভাঙ্গার জন্য সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছেন।

স্থানীয় সচেতন ব্যক্তি হিসেবে ভুমি অফিসে কর্মরত মোঃ ইলিয়াছ সহ কেউ কেউ এর প্রতিবাদ করেন। তবে ইলিয়াছ প্রকাশ্যে এসে এর প্রতিবাদ জানালে তার উপর ভিন্ন দোষ দিতে থাকে। যার কোন মিল নেই এই অভিযোগের ব্যাপারে।

সাধারন ব্যক্তিদের কাছে ল্যাট্রিন ভাঙ্গার কথা জিঙ্গেস করলে তারা বলেন সরকারী অর্থায়নে তৈরিকৃত ল্যাট্রিন ইচ্ছেমত ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়াটা অন্যায় হয়েছে। কতৃপক্ষের মতামত নেয়ার দরকার ছিল।
কারন ঐ সময়ের ভূমির মালিকের সস্মতিক্রমেই ল্যাট্রিন তৈরি করা হয়েছিল। এ বাজারটি অনেক বড়। এখানে অনেক মানুষের আসা-যাওয়া। জরুরী কারণে বাজারের সাধারন মানুষ এটা ব্যবহার করতে পারতো।

ব্যবসায়ী মোঃ হায়দার আলীর কাছে এ ল্যাট্রিন ভাঙ্গার কথা জিঙ্গেস করলে তিনি সাংবাদিকদেরকে জানান আমি সহ আরও কিছু লোকজন নিয়ে ভেঙ্গে ফেলেছি। সরকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন মসজিদের কমিটির কথা। তবে মসজিদ কমিটি ভাঙ্গার অনুমতি দেয় নাই, মুসুল্লিদের ব্যবহারের জন্য আরেকটি তৈরি করা হয়েছে বিধায় এটা বাজারের লোকদের জন্য উন্মুক্ত। মোঃ হায়দার আলী গংরা রাতের আধারে এই পাকা ল্যাট্রিন ভাঙ্গার কারণ কি? জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দিতে পারেনি।

সরকারী অর্থায়নে তৈরী এ ল্যাট্রিন ভাঙ্গায় বাজারের লোকদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে প্রতিয়মান হয়েছে। এ নিয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে আনাগোণা রয়েছে।

এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ল্যাট্রিন ভাঙ্গার ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •