আজ মঙ্গলবার, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,রাত ৯:৩২

ফরিদপুর হাসপাতালে শৌচাগারের বেহাল অবস্থা, ভোগান্তিতে রোগীরা

মোহাম্মদ পারভেজ হাচান রাজিবঃ পানি জমে মেঝে পিচ্ছিল, দরজাগুলো ভাঙ্গা। কোনটির আবার দরজা নেই। দেয়াল স্যাঁতসেঁতে। ময়লা নোংরা দুর্গন্ধ পরিবেশ।

এই হলো ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীদের জন্য তৈরি গোসলখানা ও শৌচাগারগুলোর বর্তমান দশা। অবস্থা এতটাই বেগতিক যে ঝুঁকি নিয়ে প্রয়োজন সারতে হয় রোগী ও তাঁদের স্বজনদের।

বিভিন্ন জেলার মানুষ এখানে উন্নত চিকিৎসার জন্য ছুটে আসেন। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল শুধুমাত্র ফরিদপুরের লোকদেরই ভরসা বা আস্থার জায়গা না।

বৃহত্তর ফরিদপুর তথা মাদারীপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর সহ বিভিন্ন জেলার মানুষের জন্য উত্তম এবং ভালো চিকিৎসার জন্য আস্থা ও ভরসার জায়গা। ভালো চিকিৎসা পাওয়ার আশায় বিভিন্ন জায়গা ও দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে। কিন্তু একটু ভালো সেবা এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য এসেও তারা পড়েন বিভিন্ন ভোগান্তিতে এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে শৌচাগার গুলোর বেহাল দশা এবং বাথরুমের বাজে অবস্থা। প্রায় প্রত্যেকটা শৌচাগারেই জমে আছে নোংরা পানি এবং মলমূত্র ও অপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিসপত্র।

প্রায় সময়ই দেখা যায় রোগীদের ব্যবহার করা এবং ফেলে দেওয়া প্রচুর অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পচা ভাত, তরকারি সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র। ফলশ্রুতিতে অল্পতেই দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে প্রত্যেকটি বাথরুম থেকে।

যদিও কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার দিচ্ছে সম্পন্ন রোগী এবং রোগীর লোকদের উপর। বলছেন তাদের অসচেতন ভাবে শৌচাগার ও বাথরুমের ব্যবহার এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাথরুমে ফেলে দেওয়ার কারণেই সৃষ্টি হচ্ছে এ সমস্ত জটিলতা এবং সমস্যা।

ভুক্তভোগী তথা রোগী এবং রোগীর লোকেরা বলছেন, কর্তৃপক্ষের অসচেতনতা এবং সুষ্ঠু তদারকি না করার কারণেই শৌচাগার বা বাথরুমগুলো বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী।

সাধারণত জুলাই থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে।

সুতরাং জমে থাকা ময়লা পানি ও আর্বজনা থেকে সৃষ্টি হতে পারে ভয়াবহ ডেঙ্গু প্রকোপ। কতৃপক্ষের প্রয়োজন এখনই সজাগ দৃষ্টি দেওয়া এবং যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহন করা।

     আরো পড়ুন