আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,সকাল ১০:০৮

ফরিদপুরে সমরিতা জেনারেল হাসপাতাল, দেশ ক্লিনিক ও ইসলামী হাসপাতালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে তিন লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

রবিউল হাসান রাজিবঃ ফরিদপুরে সমরিতা জেনারেল হাসপাতাল, দেশ ক্লিনিক ও ইসলামী হাসপাতালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে প্রত্যেকটিতেই ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ২ টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে নিলটুলিতে অবস্থিত সমরিতা জেনারেল হাসপাতাল, আলীপুরে অবস্থিত দেশ ক্লিনিক ও ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে অনুমোদিত বেড অনুযায়ী ডাক্তার, ডিপ্লোমা নার্স না থাকা, ওটি ব্যবস্থাপনা যথাযথ না থাকা এবং সেবা নিতে আসা রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা দিতে অপারগ হওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী ক্লিনিক তিনটির প্রত্যেকটিকে ১ লক্ষ টাকা করে মোট তিন লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এছাড়াও ক্লিনিকগুলোকে ১৫ দিন ও ১ মাস সময় বেধে দেওয়া হয় যেন তারা এই সময়ের মধ্যে তাদের সকল সমস্যা দুর করে নেন। অন্যথায় আরও কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে হুশিয়ার করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তিথি মিত্র।

এ সময় সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, মেডিকেল অফিসার সিভিল সার্জন ডাঃ নাসিম উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাহফুজুর রহমান বুলু, সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ বাবলু মিয়া, জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ বজলুর রশিদ খানসহ সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মচারি ও পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনায় আজ শহরের ৩টি বে-সরকারি ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করি। প্রত্যেকটি ক্লিনিকে ব্যাপক অনিয়ম রয়েছে। ওটিতে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী নার্স থাকার কথা থাকলেও একটি ক্লিনিকেও তা নেই। একটি ক্লিনিক চালাতে গেলে যে কয়জন ডাক্তার দরকার তা নেই। কোনটায় একজন, কোনটায় দুইজন ডাক্তার দিয়ে ক্লিনিক পরিচালনা করছে। আর রোগীদের ভোগান্তিরও কোন শেষ নেই এসব জায়গায়। এই সকল দিক বিবেচনা করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে প্রেরিত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রত্যেকটি ক্লিনিককে ১ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করেছে। সেই সাথে যে সকল বিষয়ে গাফিলতি রয়েছে তা সমাধান করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সিভিল সার্জন অফিসে সমস্ত কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আমরা আরও কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হবো। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ক্লিনিকেই আমাদের এ অভিযান চলবে।

     আরো পড়ুন