আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,সকাল ৯:৫৮

সদরপুরে বিলুপ্ত হচ্ছে খেজুরগাছ, রস ও গুড়

সদরপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা থেকে বিলুপ্ত হচ্ছে খেজুর গাছ। সেই সাথে হারিয়ে যাচ্ছে খেজুর রস ও গুড়। বৃহত্তর ফরিদপুরের ঐতিয্যবাহী একটি নাম ফরিদপুরের খেজুরের গুড় এর রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরি উৎস ছিল ফরিদপুর জেলা ব্যাপি উপজেলায় সকল গ্রামে গঞ্জে। সদরপুর উপজেলায় দেখা যেত বসতবাড়ী, গ্রামের রাস্তার পাশে ক্ষেতে খামারে যে কোন ভূমিতে সারিসারি খেজুরগাছ । এই সকল গাছ দিনে দিনে কর্তন ও কদরনা থাকায় বিলুপ্ত হচ্ছে গাছসহ রস ও গুড়ের। পরিমিতভাবে গাছের অভাবে আগ্রহ হাড়াচ্ছে খেৎুর রস সংগ্রহকারী গাছিরা। আশানরুপ গাছ না থাকায় শীত মৌসুমের রস সংগ্রহকারি গাছিরা এই পেশা বাদ দিয়ে বিভিন্ন কর্মে লিপ্ত হয়েছে। সদরপুর ফরিদপুরের ঐতিয্যবাহী খেজুর গুড় তৈরীর একটি উৎস স্থান থাকা সত্তে, রস ওগুড়ের আকাল পোহাতে হচ্ছে সদরপুর বাসির এর মূলকারন হচ্ছে খেৎুর গাছ দিনে দিনে বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে। গ্রাম এলাকায় সল্পমাত্রায় গাছ থাকলেও রস সংগ্রহকারি গাছির অভাবে ঝোড়া কাটা হচ্ছে না।বছরের পর বছর অবহেলা, অযতেœ ও অপরিছন্নভাবে পরে থাকা গাছগুলোর কদরের আগ্রহ নেই গাছ মালিকদের। উৎসহ নেই নতুন কওে বিলুপ্ত গাছগুলোর ঘারতি পূরনের। উক্ত গাছের প্রয়োজন হয় না পরির্চযা ও যতেœর। ভিটে বাড়ী বা রাস্তার পাশে ও ক্ষেত ক্ষামারে গাছ গুলো যত্রতত্র বাড়তে থাকে। একদিন হয়ে উঠে প্রকৃতির মাঝে সুস্বাধু রস ও গুর দাতা। তাছাড়া, সল্প পরিশ্রমে দীর্ঘ মেয়াদী অর্থ ও সুস্বাধু খাদ্য যোগানে খেৎুর গাছের ভুমিকা রয়েছে অপরিসীম। সদরপুর সচেতন মহল মনে করেন, খেৎুর গাছ সংরক্ষন না করা হলে আগামীদিন গুলোতে রস ও গুরের অপূরনীয় আকাল দেখা দিবে। সেই সাথে শীতকালিন রস ও গুড়ের পিঠা, পুলি, পায়েস তৈরির অভাব থেকেই যাবে। তাই খেজুর গাছ কর্তনে বিরত থেকে, নতুন করে রোপণ ও সংরক্ষন করার দাবী জানিয়েছে সকলের কাছে সদরপুরের সচেতন মহল।

     আরো পড়ুন