,

রূপসায় বোরোর ফলণ লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে

ফ. ম. আইয়ুব আলী, রূপসা প্রতিনিধি : কোভিড-১৯ এর মহামারী, বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক থাকলেও কৃষকরা জীবনঝুঁকি নিয়ে রূপসা অঞ্চলের বিলে-বিলে চালিয়ে যাচ্ছে চাষাবাদের কার্যক্রম। এ ধারাবাহিকতায় রূপসা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখাগেছে, গত বছর বোরো আবাদে কিছিুটা বিঘœ হলেও এবার আউশ ও আমন খেতে বোরোর ফলণ লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। মাঘের শুরুতেই বোরো আবাদের কাজে কৃষকরা ফসলের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকালেই শীতের তীব্রতা উপেক্ষ্যা করে মাঠে নেমে পড়েছেন। ঐক্লান্তিক প্ররিশ্রমে মাঠে মাঠে চলছে ফসলী জমি প্রস্তুত করার কাজ। জমিতে জমিতে হাল চাষ, বীজতলা থেকে ধানের চারা উঠানো এবং ধান খেতে চারা রোপণের কাজ চলছে। আগাম জমি প্রস্তুত করে কে কার আগে ধানের চারা রোপন করবেন- এ রীতিমত প্রতিযোগীতা চলচ্ছে গ্রাম অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে। এ ব্যাপরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান বলেন- অন্য বছরের তুলনায় রূপসা অঞ্চলে বোরো আবাদ অনেক ভাল ফলণ হবে। গত বছর উৎপাদন ছিল ৫৫১০ হেক্টর, এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৬০০০ হেক্টর উৎপাদনের আশা করা যায়। তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার-কৃষিবান্ধব সরকার, রূপসা উপজেলার ২৫০০ কৃষককে বীজ প্রোমদনা ও ১৪০জন কৃষককে বীঘাপ্রতি ১০ কেজি করে সার দিয়েছেন। সম্পূর্ণ রূপসা জুড়ে ১৫টি বøাকে ধানচাষের ব্যস্ত কৃষকরা। রূপসার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে জানাযায়, বছর জুড়ে মহামারী করোনার কারনে বোরো আবাদের কিছুটা বিঘœ হয়েছিল। গত বছর বোরো ধানচাষ করার পর মহামারী করোনার কারনে কৃষক শ্রমিক সংকট, বাজার ব্যবস্থা ধীরগতি ও নানান সমস্যা বোরো চাষিদের কিছুটা বিঘœ পোহাতে হয়েছিল। তাই গেলোবারের ক্ষতি পোষাতে এবারও ধানচাষ করছেন তারা। কারন এবছর আমন ধানের দাম ভাল পেয়েছেন, তাছাড়া বোরো আবাদের খরচ অনেক বেশী, বোরো ধান লাগানোর ৩/৪ দিন পর থেকে সেচপাম্প দিয়ে পানি দিতে হয়। তারা আশা করছেন বোরো আবাদের মাধ্যমে বেশী লাভবান হবেন। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছে জানাযায়, বীজতালা থেকে শুরু করে ধান খেতে বোরো আবাদ ভাল হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোন সমস্যা দেখা দেয়নী। শীতের মৌসুমে ছোট্ট-খাট্ট সমস্যা দেখাদিতে পারে, আগেবাগে সে বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আশা করি এবছর বোরো আবাদ ভাল হবে, সঙ্গে কৃষকরা পাবে অধিক পরিমান ধান। সেই সঙ্গে ফসল ফলণের লক্ষ্যমাত্রা যা ধরা হয়েছে আশা করি তা ছাড়িয়ে যাবে….. ইনশাআল্লাহ।

     আরো পড়ুন