সকাল ৬:১৩ । ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৬ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি ।

শিরোনামঃ
বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের হলে পুলিশের জেড়ার মুখোমুখি হতে হবেঃ (ওসি) মাসুদুর রহমান রূপসায় ভ্রাম‍্যমান আদালতের নির্বাহী ম‍্যাজিস্ট্রেট ৩ জনকে কারাদন্ড প্রদান করেন সরকারী নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ফরিদপুর শহর ছাত্রলীগের উদ্যোগে গরীব ও দুস্থদের মধ্যে ইফতার বিতরণ রাজবাড়ীতে মোটরসাইকেল চাপায় মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে ফরিদপুরে ভার্চুয়ালি আলোচনা সভা ফরিদপুর  জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের উদ্যোগে স্বাস্হ্যবিধি  পরিপালনে মাস্ক বিতরণ ফরিদপুর সদর হাসপাতালের সামনে পরিবেশ নষ্ঠ করে নতুন স্থাপনা ,নাগরিকদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া করোনায় ভ্রাম্যমান মাছ বাজার সাবেক স্বাস্থ্য উপসচিব আব্দুল মান্নান চৌধুরীর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ এক টাকায় খাবার পাচ্ছেন অসহায় মানুষ: আপনিও অংশ নিন মির্জাগঞ্জে পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রীর আত্মহত্যা করোনায় পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু ফরিদপুরের সিংপাড়াতে শুরু হয়েছে এলাকা ভিত্তিক লকডাউন নূরনগর আশালতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পুলিশের হাতে আটক   খুলনায় রমজানের শুরুতেই সবজির বাজারে ঊর্ধ্বগতি রাজবাড়ীতে কবিরাজ কতৃক গৃহবধূ ধর্ষণ, আটক- ২  পবিত্র মাহে রমজানে ভোক্তা অধিদপ্তর কর্তৃক সচেতনতামূলক বাজার তদারকি আদিবাসীকে সুদের টাকার জন্য মারলো মসলেম মন্ডল      ইউটিউবের আদলে বাংলাদেশি প্রথম ভিডিও প্ল্যাটফর্ম- ‘আই-পরশ’ এর যাত্রা শুরু নুরনগর প্রধান শিক্ষক কতৃক হিন্দু ছাত্রী ধর্মান্তরিত করে বিয়ের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে এম পি জগলুল হায়দার হতাশ না হয়ে বিপদের সময়ও মনোবল রাখা শ্রমজীবিদের নেই করোনা ভীতি, সংক্রমণও কম রমজান উপলক্ষে ফরিদপুর জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের বাজার তদারকি সর্বাত্মক লকডাউন’র দ্বিতীয় দিনের সাতক্ষীরা শহরের চিত্র এটি সাতক্ষীরায় টিসিবি’র পণ্য বিক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সাতক্ষীরায় টিসিবি’র পণ্য বিক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রূপসায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় রিফার মেশিন প্রদান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ইভটিজিং এর ঘটনার হামলা মামলায় দুই আসামি গ্রেফতার সালথায় তান্ডবের নেপথ্য নায়ক পিকুল মোল্যা এখনও ধরাছোঁয়ার বাহিরে

আশাশুনি কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের লক্ষে সাত প্রার্থীর প্রচার প্রচারনা চলছে

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য ৭ চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রচার প্রচারনা চলছে বেশ জোরে শোরে। ইতোমধ্যেই দোয়া চেয়ে বিলবোর্ড টানানোর মাধ্যমে অধিকাংশ চেয়ারম্যান প্রার্থীই তাদের প্রার্থীতার জানান দিয়েছে। এখন পর্যন্ত যে কয়জন সম্ভাব্য প্রার্থীর দেখা মিলেছে তাদের ৫ জন আওয়ামীলীগ বা সহযোগি সংগঠনের নেতা। অপর ২জন বিএনপির মনোয়ন নিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদের অধিকাংশই প্রতিদিন কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, নির্বাচনী সভা করে চলেছেন। ওয়াজ মাহফিল, জানাজা নামাজ, পূজা-পার্বন, শ্রাদ্ধানুষ্ঠান, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ অনুরুপ বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহনের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টা করছেন। ইউনিয়নবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ আর নিজের পক্ষে অধিক জনসমর্থন প্রদর্শন করতে মাঝে মধ্যে কোন কোন প্রার্থীর পক্ষে মোটরসাইকেল বহরযোগে গণসংযোগ করতেও দেখা যাচ্ছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন চায়ের স্টল, হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লায় আর রাজনীতি সচেতন মানুষের মুখে মুখেও চলছে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আলাপ আলোচনা। কখনো কখনো আবার চায়ের আড্ডায় বা রাজনৈতিক পরিচয় এর সূত্র ধরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ভালো-মন্দ দিক, জনসেবা, যোগ্যতার মাপকাঠি আর দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাব্যতা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, আগামী ইউপি নির্বাচনে কাদাকাটি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের ৫জন ও বিএনপির ২জন সম্ভাব্য প্রার্থী রয়েছেন। তার হলেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান দিপংকর কুমার সরকার, আওয়ামীলীগ নেতা, সাবেক জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান ও কাদাকাটি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মফিজুল হক মোড়ল, আওয়ামীলীগ ও হিন্দু, বৌদ্ধ- খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ এর নেতা এবং কাদাকাটি ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার অমৃত কুমার সানা, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তুহিন উল্লাহ তুহিন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেম্বার মিজানুর রহমান মন্টু, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহির রায়হান ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আসিফ ইকবাল রিপন। তথ্যানুসন্ধানে জানাগেছে, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান দিপংকর কুমার সরকার এর বাবা কনক চন্দ্র সরকার দীর্ঘদিন সুনামের সাথে ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বিগত নির্বাচনে তার বাবার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হয়ে তিনি এলাকায় ব্যাপক কাজ করেছেন। তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার সুবাদে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ইটের সোলিংকরণ ও কার্পেটিং, ইউনিয়ন পরিষদের মাঠ ভরাট, প্রাচীর ও গেট নির্মাণ, স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরঞ্জামাদি প্রদান, ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংস্কার, কালভার্ট স্থাপন, বাঁশের সাকো নির্মাণ, পুকুর পাড় পাইলিংকরণ, বিভিন্ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ/সংস্কার, সোলার সিস্টেম বিতরণ, স্ট্রীট লাইট স্থাপন, রেইন ওয়াটার হার্বেস্টিং প্লান্ট স্থাপন, সেলাই মেশিন বিতরণ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ, শতভাগ বিদ্যুতায়ন, পুকুর খনন, হতদরিদ্রদের জন্য সরকারী ঘর নির্মাণ, মসজিদ-মন্দির সংস্কার/নির্মাণ কাজে সহযোগিতা করা, গরীব-দুঃস্থদের বিভিন্ন ভাতার ব্যবস্থা করা সহ ইউনিয়নের নানা উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছেন। ইতিমধ্যে তিনি তার ভালো কাজের জন্য বিভিন্ন পুরষ্কারেও ভূষিত হয়েছেন। একজন ভালো মানুষ হিসেবেও তার সুখ্যাতি রয়েছে। আগামীতে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়নের সকল অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবেন বলে ভোটারদের কাছে ইতিমধ্যে তিনি প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন। সাবেক চেয়ারম্যান মফিজুল হক মোড়ল বিগত ৫বছর ইউপি চেয়ারম্যান এর দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি ইউনিয়নের সীমানা নির্ধারণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ, আশ্রয়ন প্রকল্প স্থাপন, ব্রীজ, কালভার্ট, ইটের রাস্তা, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, মন্দির, শ্মশানঘাট, চাদনী সেট ও পোস্ট অফিস স্থাপন, হতদরিদ্রদের মাঝে সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন করেছেন। আগামীতে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়নকে পুনর্গঠন করা, বিগত সময়ের অসমাপ্ত কাজ শেষ করা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ও গৃহিত কার্যক্রম মাথায় নিয়ে ইউনিয়নকে ঢেলে সাজাবেন বলে ইতিমধ্যে বিভিন্ন উঠান বৈঠকে ঘোষনা দিয়েছেন। আওয়ামীলীগ ও হিন্দু, বৌদ্ধ- খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ এর নেতা অমৃত কুমার সানা বর্তমানে ইউপি সদস্য হিসাবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব পালনকালে তার ওয়ার্ডে সকল সড়কের উন্নয়ন, ইটের সোলিংকরণ, যদুয়ারডাঙ্গা সার্বজনীন মন্দির টাইলস করা, পুকুর খনন করে প্রতিমা বিসর্জনের সুযোগ করাসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন করেছেন। এলাকাবাসীকে মারামারি, কাটাকাটি ও দ্ব›দ্ব ফাসাদমুক্ত রাখতে সর্বদা কাজ করেছেন। এলাকাকে চুরি ডাকাতিসহ সকল অপরাধ থেকে মুক্ত রাখতে কাজ করেছেন। আগামীতে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব এ্যাম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা করবেন। নতুন আঙিকে ইউনিয়ন পরিষদকে সাজাবেন। এলাকার খাল খনন করে পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা অটুট রাখা, শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা ও প্রতি ওয়ার্ডে পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কার্যালয় স্থাপন করবেন। এছাড়াও সকল মেম্বারদের নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখবেন বলে ইতিমধ্যে বিভিন্নস্থানে মতবিনিময়কালে তিনি ঘোষনা দিয়েছেন। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তুহিনউল্লাহ তুহিন বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে বিগত ইউপি নির্বাচনে নির্বাচন করেছিলেন। আগামী নির্বাচনে তিনি আবারও দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করে ভালো ফল পাওয়ার আশায় ইউনিয়নে গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি বিগত দিনে অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন। ইউনিয়নে বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদে আপদে সর্বদা সহযোগিতা করেছেন। আগামীতে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে রাস্তাঘাট সংস্কার করার মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করবেন। পানি নিঃস্কাশন এর ব্যবস্থা করবেন। চোর মুক্ত ইউনিয়ন গড়ার চেষ্টা করবেন। এছাড়াও সকলকে সাথে নিয়ে কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়তে চান এমন ঘোষনা তিনি ইতিমধ্যে দিয়েছেন। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেম্বার মিজানুর রহমান মন্টু ২০১১-১৬ সাল পর্যন্ত মেম্বার থাকাকালীন সময়ে বিভিন্নভাবে এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। এছাড়াও বিগত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে হেরে গেলেও তার বেশ জনপ্রিয়তা আছে। ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আসিফ ইকবাল রিপন সকল প্রার্থীর চেয়ে বয়সে নবীন। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করার সুবাদে ইউনিয়ন ব্যাপী তার একটা পরিচিতি আছে। এ নির্বাচন দিয়েই তিনি নতুন জনপ্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখছেন। ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহির রায়হান বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নতুন প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। সে অনুযায়ী ইতিমধ্যে তিনিও ইউনিয়নের ভোটারদের সাথে যোগাযোগ অব্যহত রেখেছেন। নির্বাচন বিষয়ে ভোটারদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, আসন্ন ইউপি নির্বাচনের লক্ষ্যে মাঠে যে সকল প্রার্থীরা কাজ করছেন তাদের অধিকাংশই আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। দলীয় মনোনয়ন না পেলে অনেকেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন। একজন প্রার্থী সরাসরি বলছেন যে, দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্যই সে চেষ্টা করছেন, মনোনয়ন না পেলে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন না। ভোটাররা আরও জানান, আওয়ামীলীগের যে কয়জন সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে রয়েছেন তাদের দু’একজন দলীয় মনোনয়ন নাও চাইতে পারেন। সেক্ষেত্রে দলীয় মনোনয়ন যেই পাক না কেন তিনি/তারা নির্বাচনী মাঠে থাকবেনই। আবার অনেকেই বলছেন আসন্ন নির্বাচন যদি দলীয় প্রতীকেই হয় এবং বিগত দিনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ারা যদি আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হন তাহলে অনেক নেতাকেই সাইডবেঞ্চে থাকা লাগতে পারে। আর এই সুযোগটা নেয়ার আরও দু’একজন কৌশল হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে কে কে থাকেন।


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *