Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মুহাম্মদ আনিসুজ্জামান, ডিয়ারঃ দেখতে দেখতে বিগত ২ এপ্রিল, ২০২১ কেজিএফ এর একটি বছর পূর্ণ হয়ে গেল। কাদিরদীর ভালো কিছু মানুষের এক প্লাটফর্মে বসা, দেখা হওয়া ও সমাজের জন্য কল্যাণকর কিছু করার প্রয়াস নিয়ে গড়ে উঠেছে কেজিএফ। নিজেকে কেজিএফ পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে গর্বিত মনে হয়।

নিজেকে প্রায়শঃ কীট-পতঙ্গ মনে হয়। জন্ম, বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য আহরন ও গ্রহণ, অতঃপর মৃত্যু; এ যেন গতানুগতিক বৈচিত্রহীন  কীট-পতঙ্গ’র জীবন। ভেবে ভেবে মন খারাপ হয়ে যায়। কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে অনন্ত সময়। কর্মময় জীবনের প্রতিটি বছর, প্রতিটি মাস এমনকি প্রতিটি দিন জীবনকে বদলানোর জন্য, ক্যারিয়ার গড়ার জন্য কতইনা নিরন্তর প্রচেষ্টা আমাদের! কখনও উচ্চ ডিগ্রি, কখনও এ কোর্স-সে কোর্স, কতযে প্রশিক্ষণ আর বিরামহীন দাপ্তরিক বা ব্যবসায়িক কাজ-ফরমায়েশ পালন! এ শুধু প্রচেষ্টা নয় রীতিমতো প্রতিযোগিতাও বটে। নিজেকে অন্যের চেয়ে, নিজের নিজের চেয়ে প্রতিনিয়ত ছাড়িয়ে যাওয়ার এক দীর্ঘ ঘোড় দৌড়। কেউ হয়ত বলারও নেই এবার একটু থাম, একটু বিশ্রাম নাও, কি হবে এত দৌড়িয়ে! বিধাতা আমাদের জন্য পার্থিব রিযিক, সম্পদ ও সম্মানের সীমা নির্ধারণ করে রেখেছেন। অথচ আমরা দৌড়াতে দৌড়াতে ভীষন ক্লান্ত। পার্থিব ফেৎনা-ফ্যাসাদ সর্বতভাবে আঁকড়ে আছে আমাদেরকে। আর এখানেই শয়তানের স্বার্থকতা, যে হচ্ছে আমাদের প্রকাশ্য শত্রু। হেরে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত তার কাছে, যেটা মোটেই কাম্য নয়। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে কিছুইতো করতে পারলাম না। এ অপরাধবোধ কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে-জীবন সায়াহ্নে। পরিবারের জন্য  অতি সামান্যতম করা হলেও সমাজ বা রাস্ট্রের জন্য করা হয়ে ওঠেনি কিছুই। অথচ কি বিশাল দায় রয়েছে সমাজ বা রাস্ট্রের কাছে। কি পেয়েছি জানিনা, তবে জীবনে প্রাপ্তির চেয়ে হারানোর পাল্লাটা বড়ই ভারী মনে হয়। হারিয়েছি আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী মুরব্বি-প্রিয়জনদের সেই অকৃত্রিম স্নেহ-ভালবাসা ও দোয়া, যেটা ছোটবেলায় প্রতিনিয়তই পেতাম। না ফেরার দেশে চলে গেছেন চারপাশের সেইসব প্রিয় মানুষের অনেকেই! মাঝে মাঝে তাদের শুন্যতা খুব অনুভব করি। হৃদয়ের কোনায় জমে আছে অব্যক্ত ব্যথা-বেদনা-অপারগতার আকুল আর্তনাদ। ক্ষমা করবেন তো তারা? ক্ষমা করবেন তো মহান সৃষ্টিকর্তা?

অবশ্য এ সীমাবদ্ধতার জন্যে ব্যক্তি দায়বদ্ধতার পাশাপাশি পেশাগত, সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোও কিছুটা দায়ী। ছাত্রজীবনে ও চাকুরী জীবনের প্রথম দিকে আমরা অনেকেই অনেক স্বপ্ন দেখতাম আত্বীয়-সজনসহ সমাজের জন্য উল্লেখযোগ্য কিছু একটা করার। কিন্তু জীবন বড়ই অদ্ভত, বাস্তবতা চরম নিষ্ঠুর। জীবন ও জীবিকার কঠিন বাস্তবতা সেসব স্বপ্নকে ক্রমশঃ ভোঁতা করে দিয়েছে। ইচ্ছা থাকা সত্বেও উল্লেখিত সীমাবদ্ধতার জন্যে ব্যক্তিপর্যায়ে চারপাশের অবহেলিত মানুষের জন্য বা সমাজের জন্যে তেমন কিছু করা হয়ে ওঠেনি। সামর্থ্য হলে করব, ছোট পরিসরে নয় বড়সড়ো কিছু করব, একটু গুছিয়ে তারপর করব, এবার নয় সামনের বছর করব-এভাবে ভাবতে ভাবতে পার করে দিচ্ছি জীবনটাই। বড়কিছু একটা করব, সে ভাবনায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কিছু করাটাও সেভাবে প্রস্ফুটিত হয়নি। বড়ই অসম্পূর্ণ বা আত্ম-কেন্দ্রিক মনে হচ্ছে জীবনটা। স্বপ্নগুলো প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই যেন ঝরেছে ধরনীতে, স্বপ্ন-নদী যেন মরুপথে হারিয়েছে ধারা, তবুও আমরা হতে চাইনা হারা!

জীবনের এ লগ্নে এসে মনে হলো হয়ত একাকী সমাজের জন্য তেমন কিছু করার সামর্থ্য আর হবে না বা পাবো না। এখন ভাবি তাতে কি হয়েছে? আমিতো এখন একা নই, আমিতো এখন কেজিএফ পরিবারের গর্বিত সদস্য! যেখানে রয়েছে এলাকার অনুসরনযোগ্য  অগ্রজ ও অনুজ কৃতি সন্তানেরা, যারা প্রত্যেকেই সপ্রতিভায়-সমহিমায় দীপ্যমান, বিবেকবান, ভালোমানুষ এবং অনেকে সুপ্রতিষ্ঠিতও বটে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অনেক উদ্যমী ও প্রগতিশীল। অনুপ্রানিত হই তাদের সামগ্রিক কর্মকান্ডে। মনে হচ্ছে এখন আর সংকিত হবার কিছু নেই। সামনে এখন নতুন দিগন্ত, নতুন সম্ভাবনার দ্বার রয়েছে খোলা। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সামর্থ্য ও সদিচ্ছা অবদান রাখতে পারে কাংখিত সেই সমাজ সেবায় বা মানব কল্যাণে। আমাদের অবিরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা আর মহান উদ্যোগ গড়তে পারে এক অনন্য কাদিরদী, দারিদ্রমুক্ত কাদিরদী, শিক্ষিত কাদিরদী, সৌহার্দের কাদিরদী এবং উন্নত কাদিরদী।

“আমরাই গড়ব সমৃদ্ধ কাদিরদী”-এ মিশন, ভিশন, রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য আমাদের কিছু সুনির্দিষ্ট দীর্ঘ মেয়াদী, মধ্য মেয়াদী এবং স্বল্প মেয়াদী কর্ম-পরিকল্পনা প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। পরিকল্পনাবিহীন কোন স্বপ্ন, মিশন বা কর্মসূচী (Programme) কাংখিত লক্ষে পৌছাতে পারেনা। কেজিএফ ইতোমধ্যে বিগত একবছরে অনেকগুলো বিচ্ছিন্ন কর্ম-কান্ড  সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে, নিঃসন্দেহে তা প্রশংসার দাবী রাখে। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো, আমরাই গড়ব আগামীর সমৃদ্ধ কাদিরদী-এ মিশনকে সামনে রেখে এ ধরনের কর্ম-কান্ড (Activities) আমাদের স্বপ্ন, মিশন বা কর্মসূচী (Programme) বাস্তবায়ন করার জন্য যথার্থ বা উপযোগী নয়। প্রথম বছর হিসেবে আমরা যে কর্ম-কান্ড (Activities) গুলো সম্পন্ন করেছি তা হয়ত কেজিএফ এর আত্ম-প্রকাশের বা প্রচারের জন্য এবং সমাজের কিছু উপকারের জন্য উপযোগী ছিল। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি কিছু সুনির্দিষ্ট দীর্ঘ মেয়াদী, মধ্য মেয়াদী এবং স্বল্প মেয়াদী কর্ম-পরিকল্পনা প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন করতে পারলে সমাজ নিজেই তার রুপকার কেজিএফকে সমহিমায় তুলে ধরবে।

গত বছরে করোনাকালীন ও ঈদ উৎসবের আগে প্রায় ২৫০টি পরিবারকে ২২০-২৫০ টাকার উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছিল এবং তারই ধারাবাহিকতায় সামান্য পরিবর্তিত রূপে এবারও প্রায়  ১৫০টি পরিবারকে উপহার সামগ্রী প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ মহতি কার্যক্রমের মাধ্যমে হয়ত ২৫০/১৫০ টি পরিবারকে দু’একদিনের জন্য সাহায্য ও খুশি করা যায়, তবে তা ঐ সকল পরিবারকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর বা স্থায়ী কর্ম-সংস্থানের সুযোগ এনে দেবে না। আমাদের উদ্দেশ্য, সামনে এমন কর্মসূচী নিতে হবে যার মাধ্যমে, বছরে কমপক্ষে ৫-১০ টি পরিবার আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হয় বা স্থায়ী কর্ম-সংস্থানের সুযোগ পায় যা প্রকারানান্তে সেসকল পরিবারকে ক্রমাগতভাবে শিক্ষিত ও সমৃদ্ধও করবে। আমাদের যাকাতের একটা অংশও এ সেবায় প্রদান করতে পারি। এ কর্ম-পরিকল্পনা স্বল্প মেয়াদে বাস্তবায়ন হলেও ক্রমাগত দীর্ঘ মেয়াদে গড়বে আগামীর সমৃদ্ধ কাদিরদী। গর্বভরে বলব “কাদিরদীর প্রতিটি পরিবার, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর”।

আমাদের প্রতি বছর কমপক্ষে ৫-১০ জন দরিদ্র পরিবারের ছাত্র-ছাত্রী চিহ্নিত করে তাদের আর্থিক ও অনুপ্রেরণামূলক উপযোগী শিক্ষা সহায়তা প্রদান করতে হবে। একটি পরিবার থেকে যদি অন্ততঃ একজনকে প্রকৃত উপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারি তাহলে সে পরিবারের জন্য এর চেয়ে বড় উপকার আর কি হতে পারে? একজন প্রকৃত উপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে বা মেয়ে একটা পরিবারের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট হতে পারে।

আমাদেরকে স্কুল-ভিত্তিক ৫ম শ্রেণী, ৮ম শ্রেণী ও ১০ম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের Mentoring, Guiding, Inspiring, Knowledge Sharing & Motivation কার্যক্রম করতে হবে। এর মাধ্যমে হয়ত সেসব ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখায় আরো মনোনিবেশ করবে, ভাল রেজাল্ট করবে ও উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে। আমাদেরকে প্রয়োজনে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ ও ম্যানেজিং/গভর্নিং কমিটির সদস্যদের সাথে মত-বিনিময় সভা করে শিক্ষার মান-উন্নয়নে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আর সেটাই হতে পারে কেজিএফ এর মাধ্যমে আগামীর সমৃদ্ধ কাদিরদী গড়ার অন্যতম কর্মসূচী।

আমাদেরকে দরিদ্র ও হত-দরিদ্র পরিবারের কোন বিশেষ রোগে আক্রান্ত রোগীকে সাধ্যমতো প্রয়োজনীয় আর্থিক, মানসিক ও তথ্যভিত্তিক সহযোগিতা করতে হবে। কেজিএফ এর মাধ্যমে একজন দরিদ্র বা হত-দরিদ্র কাদিরদীবাসী সুচিকিৎসা পেয়ে সুস্থ জীবন-যাপন করলে সেটাই হবে কেজিএফ এর স্বার্থকতা। আর একটি বিষয় আমাকে বেশ নাড়া দেয়। সেটা হলো-আর্থিক ও সামাজিক কারণে সমাজের অনেক দরিদ্র বা হত-দরিদ্র বৃদ্ধ-বৃদ্ধা গুরুজন অযত্ন-অবহেলায় দিনাতিপাত করে থাকেন। তাদের প্রতি কখনও কখনও খুবই অমানবিক বা নিষ্ঠুর আচরন করা হয়ে থাকে। তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের ভোরণ-পোষনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ও কেজিএফ এর পক্ষ থেকে বিশেষ বয়স্ক-ভাতা প্রদানের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নিঃসন্দেহে এটি হতে পারে কেজিএফ এর অন্যতম মহতি উদ্যোগ ও স্বার্থকতা।

যে বিষয়টি আমাকে আরো নাড়া দেয় তা হলো-আর্থিক ও সামাজিক কারণে সমাজের অনেক দরিদ্র বা হত-দরিদ্র গর্ভবতী মা-বোন গর্ভকালীন সময়ে নিয়মিত চেক-আপ করাতে পারেন না। নিয়মিত চেক-আপ করানোর জন্য ফরিদপুর যেতে হয় যা সময়-সাপেক্ষ ও ব্যয়-বহুল। ফলে, তাদের নিয়মিত চেক-আপ করানো হয়ে ওঠেনা এবং তারা তার ও অনাগত সন্তানের প্রকৃত অবস্থা জানতে পারেনা। অন্যদিকে, প্রসবকালীন সময়েও আর্থিক ও সামাজিক কারণে সেসব গর্ভবতী মা-বোন কোন গাইনি ডাক্তারের কাছে যেতে পারেননা। প্রচলিত ব্যবস্থায় সন্তান প্রসবের কারণে অনেক সময় মা ও অনাগত সন্তান চরম সংকটে এমনকি মৃত্যু ঝুঁকিতেও পরেন। কাদিরদীতে একটি মাতৃসদন হাসপাতাল রয়েছে যা একসময় অপেক্ষাকৃত ভাল সেবা দিতো। একজন দক্ষ ভিজিটর ও দুজন ফ্যাসিলিটেটর ও কতিপয় সেবিকা থাকতেন। যতদুর মনে পড়ে, কয়েকবছর এ্যাম্বুলেন্সও ছিল। এখন আর সেই অবস্থা নেই। দিন দিন মাতৃসদন হাসপাতালটি অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে রুপ নিয়েছে। এলাকাবাসী কাংখিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কেজিএফ বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সহিত আলোচনা করে মাতৃসদন হাসপাতালটিকে সংস্কার/আধুনিকীকরণ এর কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করার উদ্যোগ নিতে পারে। প্রয়োজনে কেজিএফ নিজস্ব উদ্যোগে সপ্তাহে একদিন একজন গাইনি ডাক্তার রাখার ব্যবস্থা করতে পারে। তাহলে হয়ত, দরিদ্র বা হত-দরিদ্র গর্ভবতী মা-বোন গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পেতে পারে এবং মা ও অনাগত সন্তান চরম সংকট বা মৃত্যু ঝুঁকি এড়াতে পারেন। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে কেজিএফ এ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করতে পারে যার মাধ্যমে দরিদ্র বা হত-দরিদ্র এলাকাবাসী ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সেবা পেতে পারে এবং মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তদের জন্য স্বল্পলাভে এ সেবা দেয়া যেতে পারে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে মানুষের দোড়গোঁড়ায় অনলাইনভিত্তিক নাগরিক পরিসেবা দেয়া শুরু হয়েছে। সেদিন আর মোটেই দুরে নয় যখন বাধ্যতামূলকভাবে সকল নাগরিক পরিসেবা অনলাইন প্লাটফর্মে দেয়া হবে। করোনা ভ্যাকসিন এর অনলাইন নিবন্ধন তার অন্যতম উদাহরণ। আমাদের সহজ-সরল মানুষগুলো এখনও শিক্ষায়, সচেতনতায় ও প্রযুক্তিগতভাবে সে অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। নাগরিক সনদ, পারিবারীক সনদ, ভ্যাকসিন, পাসপোর্ট-ভিসা, চিকিৎসা, কৃষি-ঋণ, ভর্তি ও চাকুরীর আবেদনসহ সকলপ্রকার পরিসেবা এলাকাবাসীর নিকট সহজে পৌঁছে দেয়ার জন্য কেজিএফ স্বল্পমূল্যের বিনিময়ে অনলাইন নাগরিক পরিসেবা কেন্দ্র চালু করতে পারে। ইতোমধ্যে স্বল্প-পরিসরে কেজিএফ এ পরিসেবা দিচ্ছেও। এ অনলাইন নাগরিক পরিসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে অনলাইন সেবা বিষয়ে সচেতন করতে ও প্রশিক্ষণও দিতে পারে। দীর্ঘ মেয়াদী এ পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে কেজিএফ গড়তে পারে উন্নত ও সমৃদ্ধ কাদিরদী।

“আমরাই গড়ব সমৃদ্ধ কাদিরদী”-এ মিশন ও রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য আমাদের উল্লেখিত সুনির্দিষ্ট দীর্ঘ মেয়াদী, মধ্য মেয়াদী এবং স্বল্প মেয়াদী কর্ম-পরিকল্পনাসমূহ প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন করার জন্য কেজিএফ এর প্রত্যেক সদস্যকে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই আমরা গড়তে পারব আগামীর সমৃদ্ধ কাদিরদী। এটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত। সকলে একমত হবে এমনটিও নয়। এমনি আরো অনেক সুন্দর সুন্দর পরিকল্পনা থাকতে পারে আপনাদের মননে। আপনার-আমার-আমাদের সমন্বিত পরিকল্পনা ও তার যথাপোযুগি বাস্তবায়নের মাধ্যমে “আমরাই গড়ব সমৃদ্ধ কাদিরদী”।

ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা সকলকে,

মুহাম্মদ আনিসুজ্জামান (ডিয়ার)

সহ-সভাপতি, কেজিএফ

কাদিরদী, ফরিদপুর


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •