দুপুর ১২:৫৮ । ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ১৮ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৮ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি ।

শিরোনামঃ
বোয়ালমারীতে বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে কৃষক নিলচান মল্লিক বোয়ালমারীতে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল ভাঙ্গায় চাঞ্চল্যকর সেকেন্দার হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন-বিক্ষোভঃ জড়িতদের শাস্তির দাবী আশাশুনি শ্রীউলা সড়কে মহিষকুড় এলাকায় চরম দুর্গতি আশাশুনিতে আরও ১১ জন করােনা পজেটিভ আশাশুনিতে র‌্যাপিড টেস্ট ডিভাইস ব্যবহারে নমুনা সংগ্রহ শুরু সালথায় সিংহ পরিবারের ঐতিহ্য সংরক্ষণের দাবিতে ২১ সংগঠনের মানববন্ধন ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রশস্ত্র ও মাদকসহ ছয়জন ডাকাত গ্রেফতার ফরিদপুরে মাদকসহ আটক দুইজন আশাশুনিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা রূপসায় জুম কনফারেন্সে এমপি সালাম মুর্শেদী : রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়ার মানবসেবায় আছি ভবিষ্যতেও থাকবো বোয়ালমারীতে ২২ ঘন্টার মধ্যে  শিশু ধর্ষণ চেষ্টা  মামলায়  অভিযোগপত্র  দিল পুলিশ তথ্য অধিকার আইন-২০০৯” অবহিত শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ : জুনিয়রদের কাছে হেরে গেল সিনিয়র একাদশ মসজিদে মসজিদে সচেতনতা মূলক বক্তব্য দিচ্ছেন পাংশা মডেল থানা (ওসি)মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন খুলনা জেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভা : সমগ্র জেলায় এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ আরোপ রূপসার দেবীপুরে দুই গরু চোর জনতার হাতে ধৃত বোয়ালমারীতে তিন ইউপি চেয়ারম্যান মামলার প্রধান আসামি কালুখালি থানা এলাকার মসজিদে মসজিদে সচেতনতা মূলক বক্তব্য দিচ্ছেন ওসি এক নারী মা ও মানবপ্রেমী সারমিন সালাম স্বীয় গুণে ধ্রুবতারার ন্যায় জ্বলছে ফরিদপুরে সোশ্যাল সিকিউরিটি স্কিমের আওতায় মৃত্যু দাবির চেক প্রদান মধুখালীতে পাটের পাওনা টাকা আদায়ের দাবিতে সংবাদ সন্মেলন পাংশায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন নবাগত সার্কেল ফরিদপুরে লাজ ফার্মা ও ডিপার্টমেন্ট স্টোরের ২য় শাখার উদ্বোধন চরভদ্রাসনে গাঁজা গাছ সহ আটক ১ ফরিদপুরে একচুয়াল কোর্ট খোলার দাবিতে জেলা আইনজীবী সমিতির মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী ইসহাক আলী দুলাল অপমৃত্যু মামলা এক ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তি সংক্রান্তে প্রেস বিজ্ঞপ্তি বোয়ালমারীতে ড্রেন নির্মাণে পাথরের পরিবর্তে ইট ব্যবহারের অভিযোগ রাজবাড়ীতে ৫ লাখ টাকা ও ২ কেজি গাঁজা সহ গ্রেফতার ২

সাপের খেলা বিলুপ্তির পথে,অনাহারে সাপুড়েরা

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মিঠুন গোস্বামী, রাজবাড়ী : এখন আর দেখা মেলে না সাপুড়েও সাপের।যা কি না কয়েক বছর আগেও কাউকে সাপে কামড়ালে সাধারণ মানুষ ডাক্তারের কাছে না গিয়ে সাপুড়ে খুঁজতো।তবে এর অন্যতম কারণ বনাঞ্চল কমছে, সাপ কমছে, কমছে সাপুড়ের সংখ্যাও।

অন্যদিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাধারণের মাঝে সচেতনতাও বাড়ছে। ফলে সাপে কাটলে সাপুড়ে খোঁজার প্রবণতাও কমেছে অনেক।

আগের দিনে বেদে সম্প্রদায়ের বাসস্থান বলতে ছিলো বিশাল এক নৌকার বহর। তবে নদীমাতৃক বাংলাদেশে হলেও অপরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলন বাঁধ নির্মাণ করার ফলে নদীর নাব্যতা কমেছে।যার ফলে এখন আর তারা নৌকার বহর নিয়ে চলে না।

এখন বেদে সম্প্রদায়ের লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের এখন রাস্তার পাশের পতিত জমিতে ছোট্ট পলিথিনের ঝুপড়িতে দেখা মেলে। তাদের কে যাযাবর বলে।

এর কখনো এক স্থানে থাকে না।জীবন চলার পথে বছরের কয়েক মাস কয়েকটি স্থানে ভ্রাম্যমাণ আশ্রয় স্থাপন করে তারা বসবাস করে। এরপর জীবিকা হিসেবে কেউ বানর, কেউ সাপ, কেউ বা অন্য কোন পেশায় নিযুক্ত থেকে বসবাসকৃত এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে বেদে-বেদেনীরা সাপ নাচিয়ে খেলা দেখাত। আবার তাদের পুরুষ সঙ্গীরা জীবিকা নির্বাহ করত সাপ, বানর কিংবা অন্য কোন কর্ম করে।

পুরুষ সাপুড়ে গ্রাম-গঞ্জের হাট-বাজারে সাপ নাচিয়ে লোক জড়ো করে খেলা দেখিয়ে কিংবা ওষুধ বা তাবিজ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করত। বর্তমানে কালের আবর্তে পূর্ব পুরুষদের রেখে যাওয়া সেই পেশা ছেড়ে তারা এখন অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। ফলে এখন আর আগের মতো গ্রামের মেঠোপথে কিংবা হাট-বাজারে এসব খেলা দেখিয়ে মানুষের জটলা আর দেখা যায় না। বেদে সম্প্রদায়ের লোকজন পূর্বে ভাসমান জীবনযাপন করলেও বর্তমানে নদ-নদী, খাল-বিল চলাচল অনুপযোগী হওয়ায় নৌকায় অবস্থান না করে বিভিন্ন স্থানে স্থায়ী ও অস্থায়ী আবাস গড়ে তুলছে। কমে আসছে তাদের সংখ্যাও।

তবে হাটবাজারে প্রদর্শিত সাপ খেলার মূল উদ্দেশ্য সাপ খেলা নয়। অন্তরালে থাকে সাপ বশীকরণ তাবিজ বা ওষুধ বিক্রি। তবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অবাধ অগ্রগতিতে তাবিজ বা গ্রামীণ ভেষজের প্রতি বিশ্বাসেও চিড় ধরেছে সাধারণ মানুষের। সাপের খেলার উদ্দেশ্য বা অন্তরালের লক্ষ্য যাইই থাকুক, গ্রামীণ বাংলা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে সাপ খেলা। এখন আর হাটবাজারে জটলা থাকে না সাপ খেলাকে ঘিরে। খুব একটা চোখে পড়ে না মনষা পালাও। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে আশঙ্কা, খুব তাড়াতাড়িই হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সাপ খেলা।

কুষ্টিয়ার লালন সাঁইয়ের মুক্ত মঞ্চ মাঠে সাপ খেলা দেখাতে আসা সাপুড়ে জানান, সাপের বিষ দিয়ে অনেক দুরারোগ্য রোগ সারার ওষুধ তৈরি হয়। এগুলো সংগ্রহ করতে গিয়ে আমাদের অনেকে সাপের বিষাক্ত ছোবলে প্রাণ হারিয়েছে।

তিনি আরও জানান, সাপ ধরার কোন মন্ত্র নেই। আছে বুদ্ধি, সাহস আর কলা-কৌশল। তাবিজে বিভিন্ন গাছ-গাছড়া থাকে। গাছ-গাছড়ার দ্রব্যগুণ আছে এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। তাই আমরা এগুলো বিক্রি করে, বিভিন্ন হাট-বাজারে বীণ বাজিয়ে সাপের নাচ দেখিয়ে দর্শক মাতাই এবং তাবিজ বিক্রি করে দিনে ২-৩ শত টাকা আয় করে চালাতে হয় নিজ সংসার।


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *