Spread the love

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : কলারোয়ায় ৮০উর্দ্ধে এক অসহায় কৃষকের ভিটাবাড়ীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছছে। এঘটনায় ওই কৃষক ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় আদালতের আশ্রায় গ্রহন করেও তার রেকর্ডিও জমি ভোগ দখলে যেতে পারছেন। ঘটনাটি ঘটেছে,উপজেলার সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে। মঙ্গলবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত মেনজুদ্দীনের ছেলে গোলাম মোস্তফা জানান-তিনি রামকৃষ্ণপুর মৌজায় ডিপি-২৫২ খতিয়ানে ১০৮৬ দাগে ৮শত জমি ক্রয় করেন। ওই জমিতে বাশ ঝাড়সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ গাছালি তিনি লাগিয়ে ভোগ দখল করে আসছেন। এই জমি ক্রয় করার প্রায় ২০/২৫ বছর পর দক্ষিণ এলাকা থেকে আসা ইমান আলী ওই জমির পাশে কিছু জমি ক্রয় করেন। সেখানে সে বসত বাড়ী করেস বসবাস শুরু করে। কিছু দিন থাকার পরে কৃষক গোলাম মোস্তফার রেকর্ডিও জমি থেকে তার ছেলে আমজাদ আলী, খলিল হোসেনসহ তার পরিবারের লোকজন জোরপূবক বাশ কাটতে শুরু করে। তিনি বাধা দিলে আমজাদ আলী মিস্ত্রীর নেতৃত্বে ৬/৭জন দলবদ্ধ হয়ে নিরহ কৃষক গোলাম সোস্তফার উপর হামলা চায়। গোলাম মোস্তফার এক ছেলে আছে। ছেলেটি অন্যের প্রলোভনে পড়ে একটি বিবাবহ করে। তাই পিতার অবাধ্য হওয়ায় বাড়ীতে থেকে ছেলেকে তাড়িয়ে দিয়েছে পিতা। আর ওই কৃষকের স্ত্রী দীর্ঘ দিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বর্তমানে ওই কৃষকের দেখা শুনা করার মতো কোন লোকজন নেই। এই কারণে অসহায় ভেবে পাশ^বর্তী আমজাদ আলী মিস্ত্রীর জোরপূর্বক কৃষক গোলাম মোস্তফার ৮শত জমি জবর দখল করে নেয়ার পায়তারা করছেন। এই জমির বিষয় নিয়ে সরেজমিনে ঘটনা স্থান পরিদর্শন করে দেখা গেছে, কৃষক গোলাম মোস্তফার নামে ৮শত জমি রেকর্ড, ভুমি উন্নয়ন কর পরিশোধ রয়েছে। অথচ জমি জবর দখল কারী আমজাদ আলী মিস্ত্রী ও খলিল হোসেন কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাইতে পারেননি। এছাড়া কৃষক গোলাম মোস্তফা সাতক্ষীরা বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১০৭/১১৭ ধারায় একটি মামলা করেন। এই মামলায় বিবাদী পক্ষরা স্ব শরিরে উপস্থিত হয়ে মুচলেকা দিয়ে আসেন। এসময় তারা বলেন-আর কোন সময় কৃষক গোলাম মোস্তফার ভয়ভিতি ও জমি জবর দখল করিবো না। কিন্তু বিবাদী পক্ষরা বাড়ীতে এসে সেই আদালতের অঙ্গিকার ভঙ্গ করে ওই কৃষক জমি জবর দখল করে রেখেছে। এদিকে অসহায় কৃষক গোলাম মোস্তফা বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


Spread the love