Spread the love

খুলনা প্রতিনিধিঃ করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে খুলনা নগরের তিনটি থানা এলাকা ও রূপসা উপজেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর বিধি-নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
বুধবার (০৯ জুন) কঠোর বিধি নিষেধের ষষ্ঠ দিন।
খুলনা মহানগরীর সদর, সোনাডাঙ্গা এবং খালিশপুর থানায় প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করেই চলছে ব্যবসা বাণিজ্য। করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে গত শুক্রবার ৪ জুন থেকে ১০ জুন পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। প্রথম দিন শুক্রবার সাধারন ছুটি থাকায় কিছুটা নিয়ন্ত্রনে থাকলেই পরদিন শনিবার থেকেই এ-সকল বিধি নিষেধ মানতে দেখা যায়নি।

সরজমিনে ঘুরে, নগরীর খালিশপুর এলাকার চিত্রালী বাজার,হাউজিং বাজার,আলমনগর বাজারে বেচাকেনা শুরু হয় সকাল নয়টায়, চলে সন্ধ্যা রাত পর্যন্ত। কাঁচা বাজারে সকলকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক থাকলেও এখানে তা মানছে না কেউই। ক্রেতা-বিক্রেতা কারো মুখেই মাস্ক নেই। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক।তার কঠোর বিধি নিষেধে তোয়াক্কাই করেনা।

নগরীর গল্লামারি কাঁচামাল বিক্রেতা গিয়াসের সাথে কথা হয়। তিনি জানান, স্বাভাবিক সময়ের মতই সব কিছু চলছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাজার চলছে।আর মাস্ক নেই গরমের কারণে খুলে রেখেছেন।

বাজারের প্রতিটি দোকানদারের অবস্থা একই রকম, কারো মুখেই মাস্ক নেই। ক্রেতাদের অধিকাংশের মাস্ক থাকলেও সেটা নাকের নীচে (থুতনিতে) ঝুলছে। আর সামাজিক দূরত্বের কথা না বলাই ভালো।

বিধি নিষেধে কাঁচা-বাজার ও মুদি দোকান ব্যতিত সব দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।কিন্তু খুলনার এই ৪ থানা এলাকায় সেটা মানা হচ্ছে না।সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় সকাল থেকেই বাজারে কাপড়, কসমেটিকস, বই-পুস্তক, জুতা, স্বর্ণের দোকান,ব্যাটারির দোকানসহ অলিগলির চা দোকান গুলো খোলা রয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের মতই রাতেও বন্ধ হয়না অধিকাংশ দোকান।
এদিকে গণপরিবহনে আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের কথা থাকলেও খুলনার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে সেটা মানা হচ্ছে না। প্রতিটি বাসেই আসন পূর্ণ করে এমনকি দাড়িয়েও যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। অধিকাংশ যাত্রী, হেলপার ও চালকের মুখেই মাস্ক নেই।


Spread the love