Spread the love

বোয়ালমারী প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারে ৫০০ মিটার ড্রেন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ব্যাজ ঢালাইয়ে সোলিংয়ের নিচে বালু না দেয়া, নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা, বৃষ্টির মধ্যেই কাজ চালিয়ে যাওয়াসহ নানাবিধ অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
সরজমিনে ঘুরে জানা যায়, ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের সহস্রাইল বাজারের জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য ৫০০ মিটার দীর্ঘ ওই ড্রেনের নির্মাণ কাজ করছে মেসার্স কেএম এন্টারপ্রাইজ নামে ফরিদপুর শহরের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কাজটি বাস্তবায়ন করছে। ড্রেন নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ড্রেনটি নির্মাণে সম্পূর্ণ পাথরের ঢালাই হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের ইটের ঢালাই দেওয়ার চেষ্টা করে বাধাগ্রস্ত হয়। ড্রেনের গ্রাউন্ড ঢালাইয়ের সোলিংয়ের নিচে একেবারেই বালু দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে বাজার বনিক সমিতির লোকজন ও এলাকাবাসী। এছাড়া অতিনিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে এ কাজে। বৃষ্টির মধ্যেও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
এ ব্যাপারে সহস্রাইল বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. চুন্নু বিশ্বাস বলেন, শুরু থেকেই নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ শুরু করে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পরে বাধা দিয়ে কাজ বন্ধ করা হয়।
বোয়ালমারী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ রাসেল রেজা বলেন, ইটের খোয়ার ঢালাই দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। পরে বাধা দিলে পাথরের ঢালাই দেওয়ার কথা জানান ঠিকাদারের লোকজন।
এ ব্যাপারে মেসার্স কেএম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সিলটনের মুঠোফোনে (০১৭১১১৪৩৯৫১) কল করলে ফোনটি রিসিভ করে সাংবাদিকের কথা শুনলে রং নাম্বার বলে কলটি কেটে দেন। তবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ওয়ার্ককার সংশ্লিষ্ট কাজের সাইডে দায়িত্বে থাকা মাসুকের সাথে কথা বলে ঠিকাদারের মোবাইল নাম্বারটি সঠিক বলে জানা যায়।
গতকাল বুধবার দুপুরে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, কাজ নিম্নমানের হওয়ার সুযোগ নেই। ড্রেন নির্মাণে পাথরের পরিবর্তে ইট ব্যবহারের সুযোগ নেই। আমি মঙ্গলবারও ড্রেনের কাজ পরিদর্শন করেছি।

Spread the love