Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রবিউল হাসান রাজিবঃ ফরিদপুর জেলায় মধুখালী উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের কারন্যপুর এলাকায় শুকুর ভানুর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হালট জোর পূর্বক দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে ভবন নির্মাণের প্রায় ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন করেছেন। এ বিষয়ে স্থানীয়দের মাঝে এক মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্ঠি হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে ৩ শতাধীক স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান, চূড়ান্ত প্রকাশিত বি,এস রেকর্ড অনুযায়ী ১২৮ নং কারন্যপুর ও ১২৭ নং শিবরামপুর মৌজার বি,এস ১নং খতিয়ান, ১১৮,১১৯ নম্বর দাগে ৫.৫০ শতাংশ সরকারি হালট রয়েছে যা কুমার নদীর ঘাটে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বলে বিবেচিত। তবে প্রশাসনের কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই সরকারি জমি দখল করে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন শুকুর ভানু।
এলাকার জনস্বার্থ রক্ষার্থে এই হালট দখল মুক্তকরণের জন্য বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থায় পুর্বে অভিযোগ দায়ের করলেও কোন ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে তৎকালীন এসিল্যান্ড ঐ জমিতে একটি টিনের ঘর থাকায় এলাকার জনগনের চলাচলের জন্য পাশ্ববর্তি মালিকানা ভিপি জমিতে রাস্তা তৈরি করার নির্দেশ দেন। একই সাথে ঐ জমিতে কোন উন্নতমানের ঘর তৈরি করা হলে সংঙ্গে সংঙ্গে এসিল্যান্ড অফিসের সরনাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন। অভিযোগে তারা আরো জানান জাহাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পান্নু মোল্লা, শুকুর ভানুর মেয়ে জামাই হওয়ার সুবাধে এলাকার প্রভাব খাটিয়ে এই জমি দখল করে আছে। এমনকি কৃষি অফিসে আয়া পদে চাকরি করার সুবাদে বিভিন্ন উচ্চমহলের সাথে চলাফেরা করার ভয় দেখিয়ে সরকারি জমি দখলে বাধা দিলে তাদের উপর হামলা, মামলাসহ বিভিন্ন ভয়ভিতি প্রদর্শন করছেন। এদিকে স্থানীয় জনসাধারন এর জন্য কুমার নদীতে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাই হলো এই সরকারি হালটটি। প্রকৃত হালটের জায়গায় হালট নির্ধারিত করে, নদীর ঘাটে যাতায়াতের রাস্তা করলে এলকাবাসী উপকৃত হবে।
আনিত অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে অভিযুক্ত শুকুর ভানু জানান, আমি দীর্ঘ দিন ধরে এই জমিতে বসবাস করে আসছি। তবে অনেকের মুখে শুনেছি এটা সরকারি জমি। যদি উক্ত জমি সরকারের হয় তাহলে সরকারই ঘর ভেঙ্গে দিবে।
সরকারি হালট দখলের বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমি ও তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এক সংঙ্গে বসে পাশ্ববর্তি যায়গায় রাস্তা নির্মান করার সিন্ধান্ত নিয়েছিলাম।
এ বিষয়ে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আশিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, বিষয়টি অবগত হয়েছি। আমি আসার আগে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনায় আগের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে র্নিমাণ কাজ বন্ধ রাখা আছে। সরকারি হালটের সীমানা নির্ধারণ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •