Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মেয়াদ উত্তীর্ন প্রেসক্লাবের বির্তকৃত তিন সদস্যের নামে গত ৫ অক্টোবর ফরিদপুর ৭ নং বিজ্ঞ আমলী আদালতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্তার লস্কারের ছেলে ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন। মাননীয় আদালত ৯ অক্টোবর এর মধ্যে আলফাডাঙ্গা থানার ওসিকে মামলা এজাহার করার নির্দেশ দেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলাধীন পৌরসভার বুড়াইচ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্তার লস্কারের ছেলে ইমরান হোসেন তার নিজস্ব জমিতে লাগানো গাছ কাটতে গেলে অভিযুক্ত আসামীগণ মেয়াদ উত্তীর্ন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবীর(দৈনিক খবর পত্রিকা প্রতিনিধি) , কোষাদক্ষ কামরুল হক ভূইয়া( দৈনিক সরেজমিন), সদস্য কবীর হোসেন( দৈনিকভোরের কাগজ) গত ২৩ শে আগষ্ট বুড়াইচ মেইন রোডের ঢালে নিচের দিকে ৭/৮ টি ২৫ বছরের পুরাতন রেন্টী গাছ বাদী কাটতে গেলে ঐ তিন সাংবাদিক গাছ কাটায় বাধাদেন এবং ৫০,০০০ টাকা চাদা দাবি করে।

পরে বাদীর কোন অনুরোধ আাসামীরা না শুনলে বাদী ইমরান আসামীদের তিন হাজার টাকা দেন কিন্তু আসামীরা মানতে রাজিনন। পরদিন আসামীরা আলফাডাঙ্গা বাজারে বাদীকে থানা রোডে সাঙ্গীগণের সামনে বাকী টাকার জন্য চাপ দেন। বাদী টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আসামীরা বাদূ ইমরানকে মারধর করেন এবং হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান। পরে বাদী থানায় ঔ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। থানা মামলা না নেওয়ায় বাদী আদালতে মামলা করলে আদালত থানাকে মামলা এজাহার করার নির্দেশ দেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ইমরান হোসেন বলেন, আমি গাছ কাটতে গেলে ঐ বিতকৃত কার্ড ঝুলানো তিন সাংবাদিক আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা বিভিন্ন অফিসে ম্যানেজ করার নামে চাঁদা দাবী করে। আমাকে বলে তুই সরকারী জায়গা থেকে গাছ কেটেছিস। আমাদের টাকা না দিলে তোকে থানার ওসি ও ইউএনও কে দিয়ে ধরিয়ে জরিমানা ও জেল খাটাবো। সাংবাদিকরা স্থানীয় হওয়ায় পকের্ট থেকে তিন হাজার টাকা দেই। বাকী টাকার জন্য বাজারে থানা রোডে আমাকে ও আমার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে (মা, বাবা, বোনসহ) অকথ্য ভাষায় প্রকাশ্যে গালিগালাজ করে হত্যার হুমকি দেয়।
আসামীদের ফেসবুক আইডিতে বীরমুক্তিযোদ্ধার নামে কটুক্তি করেছে। আমার বাবাকে উদ্দেশ্য করে তাদের ফেসবুক আইডিতে আজে বাজে লিখেছে। ওরা প্রভাবশালী হওয়ায় আমি থানায় মামলা দিতে পারিনাই, আদালতে মামলা করেছি।

স্থাণীয় কয়েকজন ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, সাংবাদিকতার শুরু থেকে ঐ বিতকৃত কার্ড ঝুলানো তিন সাংবাদিক নিউজ করার নামে বিভিন্ন লোককে ভয়ভিতি দিয়ে চাঁদা ও ধান্দা বাজি করে বেড়ায়। অনেক সময় সন্ত্রাসী কর্ম কান্ড চালায়, কিছুদিন আগে বন বিভাগ নিলামের মাধ্যমে রাস্তার গাছ বিক্রি করলে ঐগাছ গুলো বীর মুক্তিযোদ্ধার নিজের সম্পত্তির উপর হওয়ায় বন বিভাগ নিলাম দেয়নি।

এ ঘটনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আজিজ বলেন মামলা নং ৬, তাং-৯/১০/২১ ইং, ধারা,১৪৩,৩২৩,৩৮৫,৩৮৬,৪২৭ পেনাল কোড।

থানার ওসি মোঃ ওহিদুজ্জামান বলেন, আদালতে দায়ের করা মামলাটি থানায় এজাহার ভুক্ত করা হয়েছে।


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •