Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মাহবুব পিয়াল: হারভেস্ট প্লাস,বাংলাদেশ এর সার্বিক সহযোগিতায় আমরা কাজ করি-একেকে’র বাস্তবায়নে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়ে এক প্রশিক্ষন কর্মশালা মঙ্গলবার দুপুরে ফরিদপুর সদর উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হারভেস্ট প্লাস,বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ম্যানেজার ড. মোঃ খায়রুল বাশার।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর ফরিদপুরের উপ-পরিচালক ড. মো. হযরত আলীর সভাপতিত্বে প্রশিক্ষন কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন একেকে’র নির্বাহী পরিচালক এম এ জলিল ।
এ সময় ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবুল হোসেন মিয়া, হারভেস্ট প্লাস,বাংলাদেশ এর বিভাগীয় কর্মকর্তা মোঃ জাহিদ হোসাইন, একেকে’র প্রোগ্রাম কো-অডিনেটর এম এ কুদ্দুস মিয়া আলোচনায় আংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোঃ খায়রুল বাশার বলেন, বর্তমান মহামারী করোনা কালে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে জিংকের কোন বিকল্প নেই।আর জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৭৪ ও ৮৪ আমাদের শরীরের জিংকের ঘাটতি পুরন করতে সক্ষম।
তিনি বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ধান থেকে উৎপাদিত প্রতি কেজি চালে ২৪ থেকে.২৮ মিলিগ্রাম জিংক পওেয়া য়ায় যা শরীরের প্রায় ৭০ ভাগ জিংকের চাহিদা পূরণ করতে পারে। মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় জিংক চাউল, বাংলাদেশের ৫ বছরের কম বয়সের শতকরা ৩৬ ভাগ শিশু এবং ৫৭ ভাগ মহিলারা জিংকের অভাবে ভুগছেন যা দৈনিক জিংক চালের ভাত খাওয়ার মাধ্যমে পূরন করা সম্ভব। ড. মো. হযরত আলী আরো বলেন, ১৫ থেকে ১৯ বছরের শতকরা ৪৪ ভাগ মেয়েরা ঝিংকের অভাবে খাটো হয়ে যাচ্ছে।তাই সুস্থ্য থাকতে ও রোগ প্রতিরোধ করতে আমাদের জিংক চালের ভাত খাওয়ার উপর জোড় দিতে হবে।


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •