Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মিঠুন গোস্বামী, রাজবাড়ীঃ আজ বাংলা সাহিত্যের অমর দিকপাল কালজয়ী উপন্যাস কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধ’র রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৪ তম জন্মবার্ষিকী।

শনিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল থেকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে মীরের সমাধিস্থল মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্রে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন রয়েছে।

বাংলা একাডেমির আমন্ত্রণপত্র সূত্র মতে, ১৩ নভেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় মীর মশাররফ হোসেনের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাবে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদাসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। এরপর সকাল ১১ টায় স্বাগত ভাষণ প্রদান করবেন বাংলা একাডেমির সচিব এ. এইচ. এম. লোকমান। আলোচক হিসাবে থাকবেন লেখক ও গবেষক অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান ও অধ্যাপক মোস্তফা তারিকুল আহসান।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল হাকিম। বিশেষ অতিথি হিসাবে থাকবেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম ও বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) হাসিবুল হাসান।

সন্ধ্যায় স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা সফল করতে সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্রটি সাজানো হয়েছে প্রকৃতির নান্দনিক সাজে। রঙ-বেরঙের সবুজ পাতাবাহার দৃষ্টিনন্দন করছে পুরো স্মৃতিকেন্দ্রটি।

উল্লেখ্য, ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন মীর মশাররফ হোসেন। জন্মের পর বালিয়াকান্দিতেই বেড়ে ওঠেন তিনি। ১৯১১ সালে ১৯ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করলে তাঁকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির নবাবপুরের পদমদীতেই সমাহিত করা হয়।

বাংলা সাহিত্যের এই অমর দিকপাল বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। এখন পর্যন্ত মীর মশাররফ হোসেনের মোট ৩৬টি বইয়ের সন্ধান পাওয়া যায়।


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •