Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শিমুল হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার (কালিগঞ্জ) সাতক্ষীরাঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে এক গ্রাম ডাক্তারের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে এক কথিত সাংবাদিকের নামে মামলার তদন্ত করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) । মামলার আসামীরা হলেন,উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ছনকা গ্রামের মৃত শেখ আব্দুর রহিমের ছেলে শেখ লুৎফর রহমান (৬২) , এবং তার ছেলে শেখ ইসলামুল হক জজ’র (৩৫)। মামলা দায়েরের দীর্ঘ ৭ মাস পর আদালতের নির্দেশে গত রবিবার সাতক্ষীরা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মীর মোঃ শাফিন মাহমুদ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মোঃ রইচ উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত করেন।

ভুক্তভোগী ও মামলার এজাহারে জানা যায়, মামলার বাদী মথুরেশপুর ইউনিয়নের ছনকা গ্রামের শেখ আব্দুর রহমানের ছেলে গ্রাম ডাক্তার শেখ শরিফুল ইসলামের সাথে একই গ্রামের সাংবাদিক পরিচয় দানকারি শেখ লুৎফর রহমানের দীর্ঘদিন যাবত জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো।যার সূত্রধরে লুৎফর ও তার সহযোগীরা শরিফুল ইসলামের কাছে ৪ লক্ষ টাকা চাঁদাদাবি করে। টাকা না দিলে তার ক্রয়কৃত জমি দখল করে নিবে বলে হুুমকি প্রদান করে লুৎফর ও তার ছেলে।

পরবর্তীতে গত ২৬ এপ্রিল সকালে লুৎফর রহমান তার ছেলে ইসলামুলসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন ভুক্তভোগীর বাড়িতে এসে এলোপাতাড়ি মারপিট করতে থাকে। এরপর শরিফুল ইসলামের গলায় চাইনিজ কুড়াল ধরে তার শয়নকক্ষের মধ্যে প্রবেশ করে নগত ৯৪ হাজার ৭শ’ টাকা নিয়ে নেয় লুৎফর ও তার সহযোগীরা।

এছাড়া আরও টাকা দাবি করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায় বলে মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার বরাত দিয়ে পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক লস্কর জায়াদুল হক জানান, মামলাটি প্রথমে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করার নির্দেশ দেন আদালত।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করে আদালতের কাছে অভিযুক্তদের অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেন। পরবর্তীতে বাদী শরিফুল ইসলাম ডিবির তদন্ত রিপোর্টে রাজি বা খুশি না হয়ে বিজ্ঞ আদালতে না রাজি পিটিশন দাখিল করেন।

তার প্রেক্ষিতে আদালত জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের উপর তদন্তভার প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মীর মোঃ শাফিন মাহমুদ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মোঃ রইচ উদ্দিন বলে জানান তিনি।


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •