Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজবাড়ীর পাংশায় ৫ই জানুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে পুরোদমে চলছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা।
ভোটের আশায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা তাদের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সম্মানিত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছেন উঠান বৈঠক ও পথসভা। বের করছেন মোটরসাইকেল ও ভ্যান শোভাযাত্রা।
নিয়মানুযায়ী প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত পর্যন্ত মাইকিং করে প্রচার করা হচ্ছে প্রার্থীদের গুণগান। মোট কথা দম ফেলার ফুসরত পাচ্ছেন না প্রার্থীরা। ভোটাদের মাঝেও চলছে নির্বাচনি আমেজ। গ্রামগঞ্জের হাট-বাজার ও চায়ের দোকানে চলছে নির্বাচনি আড্ডা। পুরো উপজেলায় বইছে নির্বাচনি হাওয়া। জমে উঠেছে ভোটের মাঠ।
স্থানীয় জনগণ বলেন, গতবার (চলমান) মোঃ ইমান আলী সরদার বাবুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কোন মামলা হয় নাই। ইউনিয়ন এলাকায় মাদক কারবারি, ছিনতাইসহ সকল ধরনের অন্যায় বন্ধ হয়ে গেছে। সন্ত্রাস নির্মুলে তার অবদান অপরিসীম। হঠাৎ কোন ছোটখাট সমস্যা সৃষ্টি হলেও পরিষদে সালিসি বৈঠকে সমাধান করার অবদান রয়েছে।
অনেকেই বর্তমান সময়ে আগামী ৫ই জানুয়ারী নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক হিসেবে মোঃ ইমান আলী সরদার বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে বলে মন্তব্য করেন।
৪নং বাবুপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইমান আলী সরদার বলেন, আমি বাবুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। আমার নির্বাচনী প্রতীক হচ্ছে “⛵ নৌকা”। আমি এ প্রতীকে নির্বাচনের জন্য প্রচার-প্রচারণা করে যাচ্ছি। প্রার্থী হিসেবে আমাকে যোগ্য মনে করলে, গত নির্বাচনে আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে জয় লাভ করে যথাযথভাবে জনগণের সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। একজন সমাজকর্মী হিসেবে যতটুকু সেবা করতে পেরেছি জনগণের জন্য তাদের সবই জানা। আমি গত নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হওয়ার পরে এ ইউনিয়নে মাদকমুক্ত রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। আগের তুলনায় মাদকের ভয়াল থাবা কমেছে। এছাড়াও সন্ত্রাসী কর্যক্রম নেই বললেই চলে। দিন রাত সমানে চলাচল করে মানুষ তার প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারছেন। বড় যে কোন সমস্যা নিয়ে মামলার ঘটনা ঘটেনি। এবারও ভোটাররা যদি ভোট প্রদান করে তাহলে আমি শতভাগ আশাবাদী আল্লাহর মেহেরবানীতে ভোটাররা আমাকে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান হিসেবে জয়যুক্ত করবেন।
১০টি ইউনিয়নেই চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পাশাপাশি মেম্বার ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদপ্রার্থীরাও ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, আগামী ৫ই জানুয়ারী উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মোট ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৭ জন ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৫৬ এবং মহিলা ভোটারের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৪১ জন।


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •