Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফরিদপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে এক প্রেস ব্রিফিং আজ সকাল ১১ টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা এবং সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ আশিকুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর ও সালথা কর্মরত গণ্যমাধ্যম কর্মীরা। এতে আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে সালথা উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুবরের গ্রাম্য দলপক্ষ এবং একই ইউনিয়নের খন্দকার রেজাউর রহমান চয়ন এর গ্রাম্য দলপক্ষের লোকজন কাইজ্জা দাঙ্গা, শক্তির মহড়ার প্রর্দশনরে উদ্দেশ্যে ঢাল, কাতরা, সরকি ও রামদা ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মূখোমুখি অবস্থানের কথা। তবে সালথা উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুবরর বলেন রেজাউর রহমান চয়ন মিয়া একজন ভদ্রলোক আর আমি জনগনের ভোটে নির্বাচিত একজন প্রতিনিধি, ব্যক্তিগত ভাবে আমার দলপক্ষ বলেতে কিছু নেই। উপজেলার সকল জনগন ভালো রাখার দায়িত্ব আমার ও আছে। কিন্ত একটি গ্রæপ বার বার আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত এবং আমাকে বির্তকিত করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হচ্ছে। না বললেই নয়, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর সালথা থানা পুলিশের কিছু কর্মকর্তার পক্ষপাতিত্ব ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে। সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করলেই জানতে পারবে। অপর দিকে এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যার প্রার্থী ছিলেন খন্দকার রেজাউর রহমান চয়ন বলেন কেউ কেউ মনে করছে, এলাকার গেনজাম আমার বা ওয়াদুদতের লোক করছে। আসলে তা নয়, যার যার মত সে সে করছে। ওয়াদুদ ঠিকিই বলেছে, ওর প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই। তাছাড়া আমি আমার মেয়ে বিয়ে নিয়ে ঢাকায় ব্যস্ত। এসময় প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, সালথা উপজেলা এলাকার গ্রাম্য দলাদলিকে কন্দ্রে করে উভয় পক্ষের উত্তেজনা নিয়ন্ত্রনে ১৪ টি গ্যাস সেল ৩০ রাউন্ড গুলি নিক্ষেপ এবং আসামি গ্রেফতার করা হয়। গত ০৪ জানুয়ারি বিকাল পাঁচটা কুড়ি মিনিটে সালথার বালিয়াগট্রি গ্রামে আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে সালথা উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুবরের গ্রাম্য দলপক্ষ এবং একই ইউনিয়নের খন্দকার রেজাউর রহমান চয়ন এর গ্রাম্য দলপক্ষের লোকজন কাইজ্জা দাঙ্গা, শক্তির মহড়ার প্রর্দশনরে উদ্দেশ্যে ঢাল, কাতরা, সরকি ও রামদা ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মূখোমুখি অবস্থান করছে এমন সংবাদে সেখানে সালথা থানার অফিসার ইনর্চাজ এর নেতৃত্বে থানার অফিসার ও র্ফোস নিয়ে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার নির্দেশ দেন। পক্ষদ্বয়কে বারংবার সর্তক করা সত্বেও তার বেআইনী জনতা ছত্রভঙ্গ না হয়ে, পুলিশের প্রতি ইট-পাটকলে নিক্ষেপ করে বেপরোয়া ভাব এবং উশৃঙ্খলতা প্রকাশ করতে থাকে। এসময় ইটের আঘাতে অফিসার ইনর্চাজসহ ৭ পুলিশ সদস্য জখম হয়। পলিশ নিজেদের জানমাল, সরকারি অস্ত্র-গুলি ও সাধারণ জনগণরে জানমাল রাক্ষার্থে ৩টি গ্যাস সেল,৭ রাউন্ড র্শটগানের কর্তুজ ফায়ার করে বেআইনী জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ৩২ জনকে আসামী করে মামলা করে। মামলা নং নং-০৫, তারখি-০৫/০১/২২। এই মামলায় ১১ জন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করে । এর পর ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টায় আবার একই স্থানে ঢাল, কাতরা, সরকি ও রামদা ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দাঙ্গা ফ্যাসাদ করে। পক্ষদ্বয় ভাবুকদিয়া, বালিয়া, মধ্য বালিয়া, আড়ুয়াকান্দি গ্রাম সমূহে বিক্ষিপ্তভাবে বৃহৎ আকারে সংঘবদ্ধ হয়ে আক্রমনে জন্য বেপরোয়া ভাব প্রকাশ করলে জরুরী ভিত্তিতে পুিলশ লাইন্স ফরিদপুর হতে অতিরিক্ত পুিলশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এই ঘটনায় র্সবমোট ৩০ রাউন্ড শটগানরে গুলি ও ১৪ টি গ্যাস সলে নিক্ষেপ করা হয়। কিছু ক্ষয় ক্ষতির বিবরন ও তুলে ধরা হয় এবং এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে বলা হয়। উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বালিয়া গ্রামে একটি গ্রাম্য দলপক্ষের বৈঠককে কেন্দ্র করে হিরু মোল্যার সমর্থকদের সাথে প্রতিপক্ষ সরোয়ার মাতুব্বারের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিলো। এঘটনা নিয়ে রাতেই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরই সূত্রধরে হিরু মোল্যাকে সমর্থন দেয় পার্শ্ববর্তী ভাবুকদিয়া গ্রামের বাদশা মিয়ার সমর্থকরা। পরে বুধবার সকাল ৬টার দিকে ভাবুকদিয়া গ্রামের বাদশা মিয়ার সমর্থকদের সাথে বালিয়া গ্রামের সরোয়ার মাতুব্বারের সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ বাধে। সকাল ১০ টা পর্যন্ত চলে এ সংঘর্ষ। এতে পুলিশসহ উভয় দলের অন্তত ৩০ জন আহত হয়। আহতদের ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ও নগরকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •